প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

অ্যামবি ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস ৫৫ পয়সা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অ্যামবি ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ৫৫ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অনিরীক্ষিত প্রান্তিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি অ্যামবি ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৫ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ৩৮ পয়সা ছিল। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ১৭ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) ২৫ টাকা ৩৭ পয়সা দাঁড়িয়েছে, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে ২৪ টাকা ৮২ পয়সা ছিল। এক বছরে এনএভি ৫৫ পয়সা বেড়েছে।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। অ্যামবি ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ২৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ১৮ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে তিন টাকা ৩১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর  ২০১৫ পর্যন্ত সমাপ্ত ১২ মাসে ইপিএস হয়েছে দুই টাকা ৭১ পয়সা। আর চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ৭০ পয়সা। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে  ২৪ টাকা ৮২ পয়সা, যা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত সময় ছিল ২৪ টাকা ১২ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) উপস্থাপন করা হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর। গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের দিনের চেয়ে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ বা ১২ টাকা ৩০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৩৭৮ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩৭৩ টাকা ৯০ পয়সা। দিনজুড়ে ১৯ হাজার ৩৫৭টি শেয়ার মোট ৩৬৫ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৭২ লাখ ১৯ হাজার টাকা। শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৩৬৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩৮০ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ২৫৫ টাকা থেকে ৫৯৭ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ টাকা। ২০১৪ সালে কোম্পানিটি ২৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচ্য সময়ে ইপিএস ছিল তিন টাকা ১৩ পয়সা এবং এনএভি ছিল ২৪ টাকা ২১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে তিন টাকা ৯৫ পয়সা ও ২৬ টাকা ৭৯ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ৭৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটি তৃতীয় প্রান্তিকে কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৩৩ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল এক টাকা ৩৮ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা করেছিল ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ছিল ৯৫ পয়সা, যা প্রথম প্রান্তিকে মুনাফা ছিল ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ছিল ৭৭ পয়সা। ২০১৩ সালে কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। কোম্পানিটির ২৪ লাখ শেয়ার রয়েছে।