করপোরেট কর্নার

আইসিএবি বার্ষিক প্রতিবেদন পুরস্কার প্রক্রিয়া অটোমেশনের উদ্বোধন

শেয়ার বিজ ডেস্ক: প্রযুক্তি এই মহামারি সময়ে কাজের পরিবেশের ওপর দুর্দান্ত প্রভাব ফেলেছে। অফিসে সশরীরে মিথষ্ক্রিয়া না করে বাড়িতে বসে কাজ করা দিন দিন জরুরি হয়ে পড়েছে। এ নতুন পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি (আইসিটি) কর্মকর্তাদের দক্ষ করে তুলছে এবং প্রতিষ্ঠোনের কজের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রযুক্তিভিত্তিক অটোমেশন সুবিধাগুলো খুব স্পষ্ট; এটি কাজের বোঝা হ্রাস করে, সময় কমিয়ে কাজের প্রক্রিয়াকে মসৃণ করে। সেই সঙ্গে কাজের উদ্ভাবনী প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে। প্রযুক্তি মানুষের ত্রুটির প্রকোপ হ্রাস করে এবং কজের মান নিশ্চিত করে।

গতকাল ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশ (আইসিএবি) কর্তৃক আয়োজিত ‘উপস্থাপিত উৎকৃষ্ট বার্ষিক অ্যাকাউন্টস এবং রিপোর্টস পুরস্কার প্রক্রিয়ার অটোমেশন’ এর ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। আইসিএবির সভাপতি মাহমুদউল হাসান খসরু স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং কাউন্সিল সদস্য মো. হুমায়ুন কবীর রিভিউ কমিটির ফর প্রকাশিত অ্যাকাউন্টস ও রিপোর্টস (আরসিপিএআর) অধিবেশনে চেয়ারম্যান হিসেবে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে আইসিএবির কাউন্সিল সদস্য ও আরসিপিএআরের আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান বক্তব্য রাখেন। আইসিএবির প্রধান নির্বাহী শুভাশীষ বসু সূচনা বক্তব্য এবং আইসিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মারিয়া হাওলাদার সমাপনী বক্তব্য দেন।

মুহাম্মদ হাছান মাহমুদ বলেন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সরকারি রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে দক্ষতা ও বিনিয়োগের আস্থা বাড়াতে বিশ্বজুড়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসদের মূল্যায়ন করা হয়।

তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া এবং প্রতিবেদন তৈরিতে সুষ্ঠুতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সুশাসন জরুরি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি পেশাদার সংস্থাগুলো দেশে সুশাসন নিশ্চিত করতে কাজ করবে। তাহলে স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে ব্যবসায়ের আস্থা তৈরি হবে।’

মাহমুদউল হাসান খসরু বলেন, আরসিপিএআর ওয়েবভিত্তিক কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা। তিনি বলেন, আইসিএবি ইতোমধ্যে একটি ওয়েবভিত্তিক ‘ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ডিভিএস)’ চালু করেছে, যা সংস্থাগুলোর আর্থিক তথ্য ও আর্থিক তথ্যের স্বচ্ছতা বাড়িয়ে তুলবে। এ উভয় উদ্যোগই প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎকৃষ্ট করপোরেট অনুশীলন প্রতিষ্ঠা করবে এবং দেশে আর্থিক প্রতিবেদন ইকোসিস্টেম তৈরি করবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..