প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

আইসিটি থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: পলক

 

শেয়ার বিজ ডেস্ক: ২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় অর্জনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। একই সঙ্গে আইটি পেশাজীবীর সংখ্যা ২০ লাখে উন্নীত ও জিডিপিতে আইসিটি খাতের অবদান ৫ শতাংশ নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভালো চারা রোপণ না করলে ভালো বৃক্ষ পাওয়া যায় না। বৃক্ষ ভালো হলে তা থেকে ভালো ফল পাওয়া যায়। এজন্য আমরা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে আইসিটি বিষয়ও বাধ্যতামূলক করেছি। এর ফলে একজন শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করলে একই সঙ্গে আমরা আইটি বিষয়ে দক্ষ লোকও পেয়ে যাবো। এদের মাধ্যমে আমাদের প্রবৃদ্ধির হার বাড়ানো সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, কানেক্টিভিটি ছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। আমরা ইতোমধ্যে দেশের অনেক অঞ্চলে কানেক্টিভিটি সংযোগ দিতে সক্ষম হয়েছি। ভবিষ্যতে দেশের সব ইউনিয়ন কানেক্টিভিটির আওতায় চলে আসবে। তিনি আরো বলেন, পাবলিক এবং প্রাইভেটভাবে আইসিটি উন্নয়ন করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইনফো-৩ প্রকল্পের আওতায় দুই লাখ প্রান্তিক পর্যায়ের দফতর প্রতিষ্ঠানে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ প্রদান, ১৫ হাজার প্রাথমিক-মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব, ডিসি ও ইউএনও অফিসে কম্পিউটার ল্যাব, ইমার্জেন্সি সার্ভিস সেন্টার, ১০ হাজার গ্রোথ সেন্টারে পয়েন্ট অব প্রেজেন্স ও রেগুলেটরি ল্যাব, সাইবার সিকিউরিটি ল্যাব ও ভিএলএস ল্যাব স্থাপনসহ গ্রাম পর্যায়ে ই-কমার্স চালু করা হবে।

প্রতিটি ডিজিটাল সেন্টারে একটি করে পয়েন্ট অব প্রেজেন্স প্রতিষ্ঠা করা হলে গ্রামের মানুষ নিজ বাড়িতে বসেই ব্যবসা-বাণিজ্য, নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে গ্রামীণ জনপদের মানুষের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও ডিজিটাল বৈষম্য রোধ সম্ভব হবে। এক হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৮ সালের মধ্যে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

এছাড়াও চীনের আর্থিক সহযোগিতায় স্টাবলিশিং ডিজিটাল কানেক্টিভিটি নামে নতুন একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।