প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

আমাদের দেশেও শক্তিশালী পুঁজিবাজার হবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমাদের দেশের অর্থনীতির গড় প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রয়েছে। বিগত কয়েক বছরে এ প্রবৃদ্ধি ছয় শতাংশের নিচে নামেনি। এর কারণ আমাদের অর্থনীতির সব সূচকই ভালো অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে ২০২০ সালের মধ্যে পুঁজিবাজার শক্তিশালী হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

গতকাল রোববার মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মাইডাস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ধানমন্ডিতে মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের নিজস্ব ভবনে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে তিনি প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে আমাদের এখানে একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার হবে। ’২০ সাল আসতে এখনও তিন বছর বাকি। এর মধ্যে এটা হবে বলে আমি আশাবাদী।

‘একসময় আমেরিকা বাংলাদেশকে একটি তলাবিহীন ঝুড়ির সঙ্গে তুলনা করেছিল’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা সমালোচনা করেছিলেন, তারা ঠিক বলেননি। বাংলাদেশ কোনো সময়ই তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে ছিল না। এখন তো নয়ই। আমারিকা কখনই বাংলাদেশের উন্নয়নে লিডারশিপ রোল পালন করেনি। তবে তারা দাতা হিসেবে কাজ করেছে। আমেরিকা পাকিস্তানের বিভিন্ন কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি অঞ্চলে সরকারিভাবে এক সময় গম বিতরণ করা হয়েছিল বলে মারামারি লেগে গিয়েছিল। তখন আমরা গম খেতাম না। আর এখন আমাদের দেশে প্রতিবছর ২৯ লাখ মেট্রিক টন গমের প্রয়োজন পড়ে। যেখানে আমাদের উৎপাদন ১০-১২ লাখ টন। আর প্রতিবছর তিন কোটি ৮০ লাখ টন চাল প্রয়োজন পড়ে এদেশে। এগুলো মিলেই আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।

মাইডাস ফাইন্যান্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, মাইডাসের বড় পরিবর্তন হয়েছে। তারা আগে সাহায্যের ওপর নির্ভর করে কাজ করতো; কিন্তু এখন তারা আর সাহায্য নেয় না। তারা তাদের নিজস্ব অর্থেই ব্যবসা করছে। ছোট ও মাঝারি শিল্প নিয়ে কাজ করছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রোকিয়া আফজাল রহমান বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত খুব ভালো করেছি এসএমই এবং নারী উদ্যোক্তা খাতে অর্থায়ন করে। এক সময় আমরা ৩০ শতাংশ নারী ও ৭০ শতাংশ পুরুষকে অর্থায়ন করলেও এখন তা বদলে গেছে। এখন ৫৩ শতাংশ নারী ও ৪৭ শতাংশ পুরুষ আমাদের থেকে ঋণ নিচ্ছেন। কারণ আমরা কখনই নারীদের না করি না।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিক-উল-আজম বলেন, আমরা ৯০ শতাংশ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মাঝে ঋণ বিতরণ করছি। এ পর্যন্ত ২৬ হাজার উদ্যোক্তার মাঝে প্রায় দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজারের বিষয়ে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে হলে দক্ষ বাজারের প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..