শেয়ার বিজ ডেস্ক : ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্বে থাকা পশ্চিমাদের ঘোষিত শত্রু আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক হামলায় নিহত হয়েছেন। গত শনিবার প্রথম দফার হামলায় নিহত হন তিনি। গতকাল রোববার দ্বিতীয় দিনেও যৌথ হামলা অব্যাহত থাকে।
ইরানি গণমাধ্যম জানায়, হামলায় খামেনির কন্যা, জামাতা ও নাতনিও নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের শোক ও ৭ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানি প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, ‘সাহসী সৈনিক ও মহান ইরানি জাতি আন্তর্জাতিক অত্যাচারীদের অবিস্মরণীয় শিক্ষা দেবে।’
ইরানে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির পর।
এদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
ইরানের বিচার বিভাগ জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্কুলে হামলায় ১০৮ জন নিহত হয়েছেন, যদিও ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে না পারায় এএফপি হতাহতের সংখ্যা বা ঘটনার পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
ইসরায়েলে রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যায়, বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেন, আর আকাশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত হওয়ার বিস্ফোরণের শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
ইসরায়েলি জরুরি পরিষেবা জানায়, তেল আবিব এলাকায় এক নারী নিহত এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনের রাজধানীতে বিস্ফোরণের একাধিক শব্দ শোনা গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি যেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর অবস্থান করছেÑসেখান থেকেও ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
আবুধাবিতে দুজন নিহত হন। দুবাইয়ের কৃত্রিম দ্বীপ ‘দ্য পাম’-এ আগুন ও ধোঁয়া দেখা যায়; সেখানে চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post