প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

আরএন স্পিনিংয়ের সাবেক পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরএন স্পিনিং মিলসের সাবেক পরিচালক কিম জং সুকের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি)। সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্প্রতি কোম্পানিটির পাঁচজন পরিচালককে এক কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে কিম জং সুককে জরিমানা করা হয় ১০ লাখ টাকা। আরোপিত জরিমানা পরিশোধ না করায় তার বিরুদ্ধে সরকারি দাবি আদায় আইন, ১৯১৩-এর বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএসইসি।

সম্প্রতি ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেনারেল সার্টিফিকেট অফিসারের কাছে এ-সংক্রান্ত একটি আবেদন জানানো হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

বিএসইসির আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আরএন স্পিনিং মিলসের পরিচালক কিম জং সুক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর সেকশন ২সিসির অধীনে ২০০৯ সালের ৫ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনার শর্ত ৬-এর বি, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর সেকশন ১৮ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর সেকশন ২সিসির অধীনে ২০০৯ সালের ৫ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনার শর্ত ১৩ ও ১৬ লঙ্ঘন করেছেন। এসব আইন লঙ্ঘনের কারণে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর সেকশন ২২ মোতাবেক কমিশন কর্তৃক বর্ণিত ব্যক্তির ওপর ১০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়। আরোপিত জরিমানা পরিশোধ না করায় এবং তা আদায়ের লক্ষ্যে সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করার নিমিত্তে এ-সংক্রান্ত রিকিউজিশন প্রেরণ করা হলো।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এমতাবস্থায়, বর্ণিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে  একটি সার্টিফিকেট মামলা আমলা নিয়ে সরকারি পাওনা হিসেবে দাবিকৃত দশ লাখ টাকা সরকারি দাবি আদায় আইন, ১৯১৩-এর বিধান অনুযায়ী আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুনে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহারে অনিয়ম, বিপুল পরিমাণ অর্থ নগদ লেনদেন এবং একই গ্রুপের বিভিন্ন কেম্পানির মধ্যে লেনদেন-সংক্রান্ত তথ্যাদি দেখাতে না পারায় আরএন স্পিনিং মিলসের পাঁচজন পরিচালককে এক কোটি টাকা জরিমানা আরোপ করে বিএসইসি। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেনÑআরএন স্পিনিং মিলসের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর একেএম হাফিজ আহমেদ (অব.), পরিচালক কিম জং সুক, শিরিন ফারুক ও আব্দুল কাদের ফারুক।