Print Date & Time : 27 September 2021 Monday 10:34 am

আরও ১৬টি ট্রেক অনুমোদন দিল বিএসইসি

প্রকাশ: June 21, 2021 সময়- 11:05 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক: দ্বিতীয় দফায় সিকিউরিটিজ বেচাকেনার জন্য আরও ১৬টি ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেটস (ট্রেক) অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল এ-সংক্রান্ত চিঠি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) দিয়েছে কমিশন।

অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো এমকেএম সিকিউরিটিজ, স্মার্ট শেয়ার, বিনিময় সিকিউরিটিজ, রিলিফ এক্সচেঞ্জ, আমার সিকিউরিটিজ, ব্যাং জি জিও টেক্সটাইল, মিনহার সিকিউরিটিজ, বিপ্লব হোল্ডিংস, অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ, বি রিচ, কলম্বিয়া শেয়ার, রহিমা ইক্যুইটি, এম্পেরর সিকিউরিটিজ, বি অ্যান্ড বিএসএস ট্রেডিং, ব্রিজ স্টক অ্যান্ড ব্রোকারেজ ও এনওয়াই ট্রেডিং।

এর আগে প্রথম দফায় গত ১৯ মে আরও ৩০টি ট্রেক অনুমোদন দেয় বিএসইসি।

বিএসইসির ট্রেক রুলস অনুযায়ী, প্রতিটি ট্রেকের জন্য নিবন্ধন ফি এক কোটি টাকা। এছাড়া এই ট্রেক পাওয়ার জন্য এক লাখ টাকা ফিসহ এক্সচেঞ্জে আবেদন করতে হয়।

এছাড়া ট্রেক নেয়ার জন্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তিন কোটি টাকা জামানত দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেয়ার ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন আট কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের ক্ষেত্রে ১০ কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে। আর জামানতের ক্ষেত্রে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেয়ার জন্য চার কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের জন্য পাঁচ কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে। আর ট্রেকের বার্ষিক ফি হিসেবে এক লাখ টাকার কথা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোম্পানি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশনের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক কিনতে পারবেন। গ্রাহকদের পক্ষে শেয়ার বেচাকেনা করে দেয়ার ব্যবসা করতে এ ট্রেক পাওয়া যাবে। তবে এই ট্রেকের মালিক স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার হবেন না। শুধু শেয়ার ও ইউনিট বেচা-কেনা করার সুযোগ পাবেন। কোনো প্রতিষ্ঠান ট্রেক পেলে তা হস্তান্তর করা যাবে না। আবার নিবন্ধন পাওয়ার এক বছরের মধ্যে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ অনুযায়ী স্টক-ডিলার বা স্টক-ব্রোকারের সনদ নিতে হবে। এ সনদ নেয়ার ছয় মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারলে ট্রেক বাতিল হয়ে যাবে।

এদিকে ডিএসই সফটওয়্যার ত্রুটির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে ক্ষতির মুখেও পড়তে হচ্ছে তাদের।

জানা গেছে, লেনদেনের শেষ ১৫ মিনিটে ডিএসইর সফটওয়্যারে ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় অনেক বিনিয়োগকারীর শেয়ারের ক্রয় ও বিক্রয় আদেশ কার্যকর হয়নি। এতে শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলতে পারেনি তারা। একইভাবে সাধ্যের মধ্যে ক্রয়ের আদেশ দেয়া শেয়ার পায়নি অনেক বিনিয়োগকারী। এতে উভয় পক্ষের অর্থাৎ শেয়ারের ক্রয় ও বিক্রয় আদেশ দেয়া বিনিয়োগকারী ক্ষতিতে পড়ে।