সুস্বাস্থ্য

আর নয় পেইনকিলার

শিপন আহমেদ: মাথা ব্যথা বিশেষ করে মাইগ্রেন, আথ্রাইটিস বা বাত রোগে ভুগছেন যেমন হাঁটু, ঘাড়, কোমর, কাঁধ প্রভৃতি? অনেকেই

কম-বেশি এমন রোগে ভুগে থাকেন। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য আমরা পেইনকিলার বা ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে থাকি। যেমন প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন, ডাইক্লোফেনাক, কিটোরোলাক, নেফ্রোক্সেন, আইবোপ্রেপেন, কিটোপ্রোপেন, ইটোরিক্সড, রফিকক্সিভ প্রভৃতি খেতে অভ্যস্ত অনেকেই। সাময়িকভাবে এসব ব্যথানাশক ওষুধ তেমন ক্ষতিকর না হলেও দীর্ঘ মেয়াদে তা মারাত্মক ক্ষতিকর। অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর এ ধরনের ওষুধ খেয়ে চলেছেন। দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবনের ফলে দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন কিডনি, লিভার, পাকস্থলীর ক্ষতি হতে পারে।

 

ক্ষতিকর দিকগুলো

1.নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ সেবনের ফলে পাকস্থলীতে ক্ষত বা আলসার হতে পারে। পরে তা ক্যানসারে রূপ নিতে পারে বা পাকস্থলী ছিদ্র করতে পারে

  1. যে কোনো পেইনকিলার লিভার ও কিডনিতে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। ফলে যখন-তখন পেইনকিলার খেলে লিভার ও কিডনি নষ্ট হতে পারে
  2. বার্ধক্য ও যাদের বাতজ্বর আছে, তারা অনেকেই ব্যথানাশক ওষুধ খান। তাই তাদের বেলায় ক্ষতির ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি
  3. গর্ভকালীন ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার ফলে শিশুর নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে
  4. যাদের অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট আছে, তারা ব্যথানাশক ওষুধ থেকে দূরে থাকুন। অন্যথায় শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে
  5. সামান্য ব্যথায় কখনও পেইনকিলার খাবেন না
  6. হার্টের সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগীরা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া পেইনকিলার সেবন করবেন না।

 

 

 

 

সর্বশেষ..