প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ ও এনভয় টেক্সটাইলের বন্ড অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মেয়াদি বন্ড ইস্যু করে ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গতকাল সোমবার  ৮২৪তম সভায় কোম্পানিটিকে বন্ড ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে। বন্ডটি হবে আনসিকিউরড, ফ্লোটিং রেট ও কনভার্টিবল। অর্থাৎ বন্ডের একটি অংশ নির্দিষ্ট মেয়াদের পর সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে।

বন্ডের প্রতি ইউটের মূল্য হবে ১ লাখ টাকা। বন্ডের ইউনিট প্রাইভেট প্লেসমেন্টে সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মিউচুয়াল ফান্ড, ইন্সুরেন্স কোম্পানি, তালিকাভুক্ত ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, আঞ্চলিক রুরাল ব্যাংক, সংগঠন, ট্রাস্ট, স্বায়ত্তশাসিত করপোরেশনসহ অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বরাদ্দ করা হবে।

আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ বন্ডের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ একটি কোম্পানির অংশীরিত্ব গ্রহণ, ওই কোম্পানির ব্যাংক দায় শোধ, কোম্পানিটির জন্য মেশিনারি ক্রয়, ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের চাহিদা পূরণ ও বন্ড ইস্যুর ব্যয় নির্বাহে ব্যবহার করা হবে। বন্ডটি স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ বোর্ডে তালিকাভুক্ত হবে। বন্ডের ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে বেঙ্গল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। অন্যদিকে বন্ডটির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

অন্যদিকে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেডের ২০০ কোটি টাকার অভিহিত মূল্যের নন-কনভার্টেবল, ফুললি রিডেমেবল, আনসিকিউরড জিরো কুপন বন্ডের প্রস্তাব গতকাল অনুমোদন করেছে কমিশন। বন্ডটির ডিসকাউন্ট রেট ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশ। এটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। এ বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ২০ লাখ টাকা। প্রতি লটে ১০টি বন্ড থাকবে।

 বন্ডের মাধ্যমে উত্তোলন করা অর্থ দিয়ে এনভয় টেক্সটাইলের পাওয়ার প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতি কেনা এবং ঋণ পুনঃঅর্থায়ন করা হবে। এ বন্ডের ন্যূনতম সাবস্ক্রিপশন ব্যক্তি পর্যায়ে ২০ লাখ টাকা এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ১ কোটি টাকা। এনভয় টেক্সটাইলের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে এনডিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

সভায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্য বিনিয়োগকারী এবং পেনশন ফান্ড থেকে বিনিয়োগের যে সীমা ছিল তা বৃদ্ধি করে তিনগুণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর মাধ্যমে তারল্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাট অফ ডেট এ যোগ্য বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ সীমা পেনশন ফান্ড এবং স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্রাচ্যুইটি ফান্ড ব্যতীত অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগসীমা ১ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৩ কোটি টাকা এবং অনুমোদিত পেনশন ফান্ড এবং স্বীকৃত প্রেভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ৫০ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।