বিশ্ব সংবাদ

আলুর ঘাটতি মেটাতে ভুটানের দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত

শেয়ার বিজ ডেস্ক: এবার আলুর ঘাটতি দূর করতে প্রতিবেশী ভুটানের দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত। স্থানীয় ঘাটতি মেটাতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য প্রতিবছর দুই লাখ টন আলু আমদানিতে ভুটানের সঙ্গে চুক্তি করছে ভারত। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিনা লাইসেন্সেই ভুটান থেকে আলু আমদানি করতে পারবেন। শুক্রবার এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি)। খবর: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

গতকাল শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ডিজিএফটির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দেশটিতে বর্তমানে আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ রুপিতে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ভুটান থেকে ৩০ হাজার টন আলু পৌঁছাবে বলে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল।

পৃথক এক নোটিসে ডিজিএফটি জানিয়েছে, শুল্কহার কোটা প্রকল্পের আওতায় আলু আমদানির সুযোগ রেখেছে ভারত সরকার। এ পদ্ধতিতে একটি আমদানি-রপ্তানি কোডের বিপরীতে একটিই আবেদন বিবেচনা করা হবে এবং সফল আবেদনকারীদের আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারির আগে চালান ভারতীয় বন্দরে পৌঁছানোর বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। এভাবে মোট ১০ লাখ টন আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, ভারতের খাদ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বাড়তি দাম কমাতে ভারত সরকার পেঁয়াজ ও ডাল (উড়াদ ও অড়হর) আমদানি অব্যাহত রাখবে।

তিনি জানিয়েছেন, ভারতের বেসরকারি আমদানিকারকরা এরই মধ্যে সাত হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করেছেন এবং আরও ২৭ হাজার টন দীপাবলির আগেই পৌঁছে যাবে।

ডালের চাহিদা মেটাতে মোজাম্বিক থেকে আমদানি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। পূর্ব আফ্রিকার দেশটি থেকে আগামী পাঁচ বছর ধরে প্রতিবছর দুই লাখ টন করে অড়হর ডাল আমদানি করবে ভারতীয়রা। এছাড়া আগামী পাঁচ বছরের জন্য প্রতিবছর দুই লাখ টন পেঁয়াজ আমদানিতে মিয়ানমারের সঙ্গেও নতুন চুক্তি করতে যাচ্ছে ভারত।

ভারতের খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ, আলু ও কিছু ডালের খুচরা দাম বেড়েছে। কিন্তু সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধকরণ, বেসরকারি ব্যবসায়ীদের জন্য আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করাসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পর কয়েক দিন ধরে দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি আরও জানান, ডালের সাশ্রয়ী সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারত সরকার চার লাখ টন ডাল আমদানির সময়সীমা আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে এবং দেড় লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে। তবে মসুর ডালের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ থাকবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..