প্রথম পাতা

আশুগঞ্জ পাওয়ারের আইপিও আবেদনের সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিদ্যমান পাবলিক ইস্যু রুলস অনুযায়ী প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ন্যূনতম চাঁদা গ্রহণের শর্ত পরিপালনে ব্যর্থ হয়েছে সরকারি মালিকানাধীন আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন। এ অবস্থায় কোম্পানিটি আইপিও’র অযোগ্য হলেও বন্ড মার্কেটের উন্নয়নের কথা ভেবে তা বাতিল করা হয়নি। বরং কোম্পানিটির আইপিও আবেদনের সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

কমিশনের গতকালের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে জানানো হয়েছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ পরিপালনে ব্যর্থ হয়েছে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন। কিন্তু বিনিয়োগকারী ও বন্ড মার্কেটের উন্নয়নের কথা ভেবে এই নিয়ম পরিপালনের বাধ্যবাধকতা থেকে কোম্পানিটিকে অব্যাহতি প্রদান এবং অনুত্তোলিত অংশের চাঁদা সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

পাবলিক ইস্যু রুলস অনুযায়ী, আইপিওতে কমপক্ষে ৬৫ শতাংশ আবেদন জমার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অন্যথায় ওই কোম্পানির আইপিও বাতিলের বিধান রয়েছে। আশুগঞ্জ পাওয়ারের বন্ডে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে ১০০ কোটি টাকার চাহিদার বিপরীতে ৩০ কোটি টাকার বা ৩০ শতাংশ আবেদন জমা পড়ে, যাতে কোম্পানিটি পাবলিক ইস্যু রুলস অনুযায়ী আইপিও’র অযোগ্য হয়ে পড়ে।

এদিকে গতকালের সভায় বিদ্যমান প্যানেল অডিট ফার্মের অংশীদার চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্টদের নাম প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্যানেল অডিটরসের তালিকায় ফার্মওয়ারি অংশীদাররা ছাড়া কোনো চর্চারত (প্র্যাকটিসিং) চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট নিরীক্ষক হিসেবে কোনো তালিকাভুক্ত ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে আবেদনকারী কোম্পানির নিরীক্ষা কাজ করতে পারবেন না। অর্থাৎ কোনো অংশীদার পরিবর্তন হলে সেক্ষেত্রে, কিংবা নতুন অংশীদার নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন না। তবে কমিশনে অংশীদারের তালিকা সংশোধন ও অনুমোদন সাপেক্ষে ওই অডিটর নিরীক্ষা করতে পারবেন।

সর্বশেষ..