প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ইউনাইটেড এয়ারের প্লেসমেন্ট সংশোধনী অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইউনাইটেড এয়ারের প্লেসমেন্টে শেয়ার ক্রেতার তালিকার সংশোধনী অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

গতকাল বুধবার কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজকে এর আগে প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সুইফট এয়ার কার্গোর কাছে ৩১২ কোটি ৮০ লাখ ৮৮ হাজার টাকার শেয়ার বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল বিএসইসি। শুধু ওই কোম্পানি নয়, আরও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের কাছে প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি করবে কোম্পানিটি।

সংশোধনী অনুযায়ী, সুইফট এয়ার কার্গো ছাড়াও প্লেসমেন্টর মাধ্যমে স্ট্রিলিং এরোস্পেস লিমিটেড, সিঙ্গাপুরের এ-সনিক এভিয়েশন সলিউশনস, সিঙ্গাপুরের আর্কটিক টার্ন এভিয়েশন, মালয়েশিয়ার ফিনিক্স এয়ারক্রাফট ইনভেস্টমেন্ট (লাবুয়ান) বিএইচডি ও সিঙ্গাপুরের ব্ল্যাক ট্রান্সটোন এভিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের কাছে শেয়ার বিক্রি করবে ইউনাইটেড এয়ার। এর মধ্যে সুইফট এয়ার কার্গোর কাছে ৩১২ কোটি ৮০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা ও বাকি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রতি ৫২ কোটি ৮০ লাখ ৮৮ হাজার টাকার শেয়ার বিক্রি করবে। প্লেসমেন্টর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে নতুন সাতটি এয়ারক্রাফট কিনবে কোম্পানিটি।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানিটি এর আগে ২০১১ সালে একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছিল। উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ থাকার কারণে কোম্পানিটির শেয়ারে আগ্রহ হারাচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এক বছরের বেশি সময় ধরে কোম্পানিটির দর ফেসভ্যালুর নিচে অবস্থান করছে। সর্বশেষ কার্যদিবসে গতকাল কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার চার টাকা ৮০ পয়সা দরে লেনদেন হয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমেছে কোম্পানিটি। এদিকে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে মাত্র পাঁচ দশমিক শূন্য দুই শতাংশ শেয়ার রয়েছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৭৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।