প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিকের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর, ২০২১) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরুর অপেক্ষায় থাকা ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে চার কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। যেখানে আগের হিসাববছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল দুই কোটি ৭০ লাখ ১০ হাজার টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে এক কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ৫৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৩ পয়সা। যেখানে আইপিও-পরবর্তী ইপিএস হবে ৮৯ পয়সা।

অন্যদিকে আলোচ্য হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে এক কোটি ১২ লাখ ২০ হাজার টাকা। যেখানে আগের হিসাববছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৯৪ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা, আইপিও-পরবর্তী যা হবে ২৩ পয়সা।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ শেষে আইপিও-পূর্ববর্তী পরিশোধিত শেয়ার বিবেচনায় নিয়ে পুনর্মূল্যায়নসহ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৮৭ পয়সা। আইপিও-পরবর্তী পরিশোধিত শেয়ার বিবেচনায় যা হবে ১৫ টাকা ৩২ পয়সা।

এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন শুরু হচ্ছে আজ রোববার। আজ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ‘এন’ ক্যাটেগরিতে শেয়ারটির লেনদেন শুরু হবে। কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে ‘ইউনিয়ন আইএনএস’। কোম্পানি কোড ‘২৫৭৫৩’।

এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৭৯তম কমিশন সভায় ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের আইপিওর অনুমোদন দেয়া হয়। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে কোম্পানিটির সাবস্ক্রিপশন শুরু হয়। চলে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

আইপিও প্রসপেক্টাসের তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্য মোট এক কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার ৯০৪টি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি ১৯ কোটি ৩৬ লাখ ৯ হাজার ৪০ টাকা উত্তোলন করে। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ফিক্সড ডিপোজিট, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।