বাণিজ্য সংবাদ

ইকোনমিক জোনে অলআউট সাপোর্ট দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: খেলাধুলার উন্নয়নে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। খেলাধুলার প্রসারে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা যেন খেলাধুলার প্রতি মনোযোগী হয়, সেদিকেও আমাদের আন্তরিকতার অভাব নেই। বাংলাদেশ খেলাধুলায় অনেক এগিয়ে গেছে, বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সুনাম বয়ে আনছে।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গতকাল শনিবার কুমিল্লার দাউদকান্দিতে জেলা প্রশাসক নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
এর আগে অর্থমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার বাউশিয়া এলাকায় আবদুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখেন। সেখানে তিনি বলেন, মাত্র ৯ থেকে ১০ মাসের মধ্যে এই (হোন্ডা) ফ্যাক্টরি উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। এটা একটা উদাহরণ যে বাংলাদেশে কম সময়ে ব্যবসা শুরু করা যায়। আমি মনে করি, অন্য জাপানি যে কোম্পানি আছে তারাও হোন্ডার দেখাদেখি উৎসাহিত হয়ে বিনিয়োগ করবে। অন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোও আসবে। এ বিশেষ ইকোনমিক অঞ্চল খুব অল্প সময়ে ডেভেলপ করেছে আবদুল মোনেম গ্রুপ।
তিনি বলেন, আমাদের সরকারের যে পরিকল্পনা সেটা হলো ইকোনমিক জোনে অলআউট সাপোর্ট দেওয়া হবে। তাদের কোনো ধরনের সমস্যা হলে সেটা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোথাও কোনো শিল্প-কারখানা যদি কোনো সমস্যা ফেস করে আমাদের বললে সেটা সুরাহা করব। বিশেষ ইকোনমিক জোন কর্তৃপক্ষ আছে, এ ব্যাপারে তারাও কাজ করছে। মিরসরাই বিশেষ ইকোনমিক জোনে অসাধারণ কর্মতৎপরতা শুরু হয়েছে। মাতারবাড়িতে শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিটা ইকোনমিক জোনে না হলেও চারভাগের একভাগ ইকোনমিক জোনের প্রগ্রেস খুব ভালো। মুন্সীগঞ্জে ২৫ একর জমির ওপর প্রায় ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে যৌথভাবে এ ফ্যাক্টরি গড়ে তুলেছে হোন্ডা ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। প্রাথমিকভাবে এ ফ্যাক্টরিতে বছরে এক লাখ মোটরসাইকেল উৎপাদন করছে।
কুমিল্লার ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) আবুল ফজল মীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া এমপি এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানসহ প্রমুখ।

সর্বশেষ..