প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ইটিপি প্রকল্পে ১৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে রেকিট বেনকিজার

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি রেকিট বেনকিজার (বিডি) লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ শিল্প এলাকায় অবস্থিত কোম্পানির কারখানায় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনা (ইটিপি) প্রকল্পে প্রায় ১৬ কোটি টাকা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটির কারখানায় পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স কার্যকর করার লক্ষ্যে বর্জ্য পানি শোধনাগারকে আপগ্রেড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। আর কোম্পানির কারখানা প্রাঙ্গণে এই ইটিপি প্রকল্প আপগ্রেড করার জন্য ১৫ কোটি ৮৮ লাখ ৯০ হাজার টাকার মূলধন জাতীয় ব্যয় বা ক্যাপেক্স বাজেট অনুমোদন করেছে। ২০২২ সালের শেষের দিকে এই প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন বলে জানা গেছে।

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩২ টাকা ৬৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৩ টাকা ৪৭ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস কমেছে ৮৩ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস (জানুয়ারি-জুন, ২০২১) শেষে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৬২ টাকা তিন পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫৭ টাকা ৫১ পয়সা। এছাড়া ২০২১ সালের ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৩২ টাকা ৯৮ পয়সা, যা ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরে ছিল ১৭০ টাকা ৯৫ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১৪৩ টাকা ৯৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ২১১ টাকা ৯৮ পয়সা ছিল।

সর্বশেষ ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১৪০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১৫৬ টাকা ৩৮ পয়সা, আর ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭০ টাকা ৯৫ পয়সা।

ওষুধ ও রসায়ন খাতের এই কোম্পানিটি ১৯৮৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। কোম্পানির ২৫ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন চার কোটি ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

কোম্পানির মোট ৪৭ লাখ ২৫ হাজার শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৮২ দশমিক ৯৬ শতাংশ, সরকারি তিন দশমিক ৭৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক চার দশমিক ৩৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে দুই দশমিক ৯৪ শতাংশ ও বাকি পাঁচ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।