সুস্বাস্থ্য

ঈদের সীমাহীন আনন্দ সজীব থাকুক খাওয়ার তিন কৌশলে

সুস্বাস্থ্য ডেস্ক: ঈদের দিন সীমাহীন আনন্দের অন্যতম অনুষঙ্গ খাবার। আর কোরবানির ঈদে অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মূল আয়োজনে থাকে নানা পদের মাংস। এদিন সবার বেশি মাংস খাওয়ার ইচ্ছা থাকে। আর উৎসবের আতিশয্যে নানা মুখরোচক খাবারের বেহিসাবি উদরপূর্তিতে দেখা দেয় পেটের পীড়া। হয়তো এ কারণে ভাটা পড়ে ঈদের আনন্দে।

এটাই স্বাভাবিক যে, সীমাহীন আনন্দের দিন হওয়ায় ঈদে আমাদের নৈমিত্তিক জীবনের রুটিনে ছেদ পড়ে। খাওয়া-দাওয়ায় শৃঙ্খলা থাকে না। তবু তিন কৌশল মেনে সজীব রাখতে পারেন ঈদের আনন্দ।

এক. খাবার গ্রহণে সংযমী হওয়া

আনন্দের দিনে স্বাস্থ্যসচেতন ও সংযমী হয়ে খাবার খেতে হবে। একই সঙ্গে নানারকম খাবারে শরীরে কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে তার ওপর নজর দিন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের স্বাভাবিক পাকস্থলী ৭০০ থেকে ৯০০ মিলিলিটার খাবার ধারণ করতে পারে। তাহলে পুরো খাবারটা সেভাবে ভাগ করে নিতে হবে। অর্থাৎ পেটটাকে তিন ভাগ করে নিন। সুস্থ থাকতে আড়াইশ থেকে ৩০০ মিলিলিটার খাবার একবারে খান।

দুই. তেলজাতীয় খাবার নয়

পরিমিত খাবার খাওয়ার পাশাপাশি অধিক পরিমাণে তেল, গোশত ও চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষ করে নানা মসলামিশ্রিত ঝোলটা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এছাড়া দীর্ঘ দিন ধরে পেটের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় আক্রান্তদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

তিন. পেটে সমস্যা হলেই ওষুধ নয়

খাওয়াদাওয়ায় শতভাগ সতর্ক থাকার পরও পেটে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এজন্য সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ সেবন করা যাবে না।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..