পর্ষদ সভা

উত্তরা ব্যাংক ও এবি ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড ও এবি ব্যাংক লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড: আগামী ২৯ মার্চ বিকাল সাড়ে ৩টায় পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ ও দুই শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত হিসাববছরে উত্তরা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় হয় চার টাকা ১৭ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৩৬ টাকা ৮২ পয়সায়, যা আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল তিন টাকা ৮৩ পয়সা এবং এনএভি ৩৪ টাকা ৮১ পয়সা। আলোচিত সময়ে মুনাফা করে ১৬৬ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা তার আগের বছর একই সময় ছিল ১৫৩ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির এ কোম্পানি। অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৪০৮ কোটি আট লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৬৪ কোটি ৮৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ৪০ কোটি ৮০ লাখ ৮১ হাজার ৯৪৪টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ দশমিক ৫৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, বিদেশি দুই দশমিক ৮১ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৭ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এবি ব্যাংক লিমিটেড: আগামী ৩১ মার্চ বেলা ৩টায় পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সাড়ে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ২৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ১০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় যথাক্রমে দুই টাকা ৪২ পয়সা ও ৩৯ টাকা ৩৫ পয়সা ছিল।

২০১৮ ও ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংক খাতের এ কোম্পানিটি। ২০১৮ সালে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ছয় পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৫১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে পাঁচ পয়সা ও ৩১ টাকা ৬৫ পয়সা।

‘জেড’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৮৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানির এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৭৫৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৬৩০ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির মোট ৭৫ কোটি ৮১ লাখ ৩০ হাজার ৩১৬টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ২৯ দশমিক ২৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ৩৪ দশমিক ২৪ শতাংশ, বিদেশি এক দশমিক শূন্য তিন শতাংশ এবং বাকি ৩৪ দশমিক ৯১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..