মত-বিশ্লেষণ

উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রয়াস

মুহা. শিপলু জামান: স্বাধীনতার আলোর মশাল হাতে নিয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ ৯ মাস পর পাকিস্তানের অন্ধকার কারাপ্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাধীন মাতৃভ‚মিতে সগৌরবে ও বীরদর্পে প্রত্যাবর্তন করেন। সেদিন স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্ত বাতাসে জনতার সমুদ্রে বঙ্গবন্ধুর পদার্পণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয় পূর্ণতা পেয়েছিল। সেদিন থেকে বাংলাদেশ যাত্রা করেছিল ‘অন্ধকার থেকে আলোয়’, ‘পরাধীনতা থেকে স্বাধীনতায়’, ‘নিরাশা থেকে আশায়’ ও ‘অন্যায় থেকে ন্যায়’-এর পথে। তাই ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় ও আনন্দের দিন, প্রকৃতপক্ষে পরিপূর্ণ বিজয়ের দিন। আর এই বিজয় অর্জন করতে জাতির পিতার নেতৃত্বে বাঙালি জাতি দীর্ঘ ২৪ বছর পাকিস্তানি শাসকদের অন্যায়, অত্যাচার আর জুলুমের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধু বহুবছর জেল খেটেছেন, সয়েছেন নিদারুণ কষ্ট ও নির্যাতন।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন অসীম রাজনৈতিক প্রজ্ঞাসম্পন্ন ও দূরদর্শী নেতা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন বাঙালির বিজয় সন্নিকটে এবং বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির আকাক্সক্ষা আকাশচুম্বীÑশুধু প্রয়োজন একটি আহŸান, একটি নির্দেশনা। তাই ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতাকে শুনিয়েছিলেন অমর কবিতা‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

এই ভাষণ ছিল স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ও অনুপ্রেরণার উৎস। মূলত এই ভাষণের মাধ্যমেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন এবং মুক্তিপাগল জনতা দেশ স্বাধীনের প্রস্তুতি নিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বাঙালি জাতির ওপর শুরু করে এক নৃশংস হত্যাযজ্ঞ। সেই প্রেক্ষাপটে অকুতোভয় বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং সর্বস্তরের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরার আহŸান জানান।

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর জন্য ছিল হুমকিস্বরূপ, তাই স্বাধীনতা ঘোষণার অব্যবহিত পর তারা ধানমন্ডির ৩২নং বাসা থেকে বঙ্গবন্ধুকে আটক করে পাকিস্তানের কারাগারে অন্তরীণ করে।    

পাকিস্তান সরকার ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুকে আটক করলে, তাঁর ও বাঙালি জাতির মনোবল ভেঙে যাবে, কিন্তু বীর বাঙালিরা সর্বস্তরে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতেই তাকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত হয় প্রবাসী সরকার, যা ‘মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচালিত হয়। মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস এদেশের আপামর জনগণ মুক্তিযুদ্ধে প্রাণপণ লড়াই করে বিজয় ছিনিয়ে আনে। আর অন্যদিকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী প্রহসনের বিচারে বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির আদেশ দেয়, তাঁর কারাগারের পাশেই তাঁর জন্য কবর খোঁড়ে। কিন্তু তারা মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে বিন্দু পরিমাণও বিচলিত করতে পারেনি। তিনি ছিলেন স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে হিমালয়ের মতো অটল, অবিচল। তারা মনে করেছিল ফাঁসির আদেশ দিয়ে তারা বঙ্গবন্ধুকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে পারবে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ছিলেন অসীম সাহসী, ন্যায়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন প্রস্তরকঠিন ও অটল। ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত জেনেও বঙ্গবন্ধু তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। তাঁর দেশপ্রেম, তাঁর সাহস, বাংলাদেশ ও বাংলার মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয় ও প্রেরণার উৎস। 

বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলার সর্বস্তরের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর  বিজয় অর্জন করে। সেদিন ৯৫ হাজার পাকিস্তানি সেনা আত্মসমর্পণ করে। বিজয় অর্জিত হলেও দেশের মানুষের কাছে তা ছিল অতৃপ্ত ও অপূর্ণ। স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলার প্রাণপুরুষ, বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুকে ছাড়া বিজয় উল্লাস ও বিজয় আনন্দ করা জনগণের পক্ষে সম্ভব ছিল না। রাজনীতির মহাকবি ও স্বাধীনতার শিল্পী ছাড়া বিজয় কবিতাটি লেখা সম্পন্ন হচ্ছিল না। তাই পুরো জাতি অধীরভাবে অপেক্ষায় ছিল মহান নেতার দেশে ফেরার। অন্যদিকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হলেও স্বাধীনতার কাণ্ডারি বঙ্গবন্ধু তখনও কিছুই জানতেন না, পাকিস্তানিরা তাকে সব ধরনের তথ্য ও সংবাদমাধ্যম থেকে দূরে রেখেছিল। ১৯৭২ সালের পহেলা জানুয়ারি সন্ধ্যায় ভুট্টোর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বঙ্গবন্ধু জানতে পারেন, তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা স্বাধীন দেশ হিসেবে বিশ্বে আত্মপ্রকাশ করেছে, সেইসঙ্গে বাংলার মানুষের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

পরবর্তী সময়ে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার, ভারত ও রাশিয়াসহ মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও বিশ্ব জনমতের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। একদিকে যুদ্ধে পরাজয়, অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে মুক্তি দেয়ার বিষয়টি পাকিস্তানিরা সহজে মেনে নিতে পারছিল না। তাই তারা বঙ্গবন্ধুকে মুক্তির দেয়ার পর তাঁকে সরাসরি বা ভারত হয়ে দেশে ফিরতে দিতে চায়নি। তারা বঙ্গবন্ধুকে ইরান অথবা তুরস্ক হয়ে দেশে ফেরার প্রস্তাব করলেও বঙ্গবন্ধুও তাঁদের কথা মানেননি। তিনি বেছে নিয়েছিলেন লন্ডন থেকে দিল্লি হয়ে দেশে ফেরার পথ।

৯ জানুয়ারি ভোরে পাকিস্তান এয়ারলাইনসের বিমানে করে বঙ্গবন্ধু নামেন লন্ডনে এবং সেখানে তিনি ‘মে ফ্লাওয়ার ক্লেরিজ’ হোটেলে অবস্থান করেন। হোটেল থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে কথা বলে দেশের খবর নেন। ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এডোয়ারথ হিথ অবকাশে ছিলেন বিদেশ সফরে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কথা শুনে তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে সেদিনই লন্ডনে ফেরেন এবং বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করেন। বাংলাদেশ সদ্য স্বাধীন হওয়া রাষ্ট্র, যাকে ব্রিটেন তখনও স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু বঙ্গবন্ধু এমন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং বিশাল মাপের নেতা ছিলেন যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ছুটে এলেন এবং বঙ্গবন্ধুর নিরাপদে দেশে ফেরার জন্য রয়্যাল এয়ারফোর্সের ভিআইপি সিলভার কমেট জেটের ব্যবস্থা করলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের স্বীকৃতি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতিশ্রæতিও দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধুকে বহন করা ব্রিটিশ বিমান সাইপ্রাস ও ওমানে জ্বালানি বিরতি নিয়ে ১০ জানুয়ারি সকালে দিল্লির পালাম বিমানবন্দরে (বর্তমানে ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দর) পৌঁছায়। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। লন্ডন থেকে দিল্লির এই যাত্রাপথে বঙ্গবন্ধু দেশের জন্য জাতীয় সংগীত হিসেবে ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ বেছে নিয়ে গাওয়া শুরু করেন। দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ভারতীয় সেনা ফেরতসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। ভারত সরকার তাদের রাষ্ট্রপতির রাজহংস বিমানে করে বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশে পাঠানোর সব প্রস্তুতি গ্রহণ করে। কিন্তু অসীম জ্ঞান আর বিচক্ষণতাসম্পন্ন বঙ্গবন্ধু সসম্মানে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো বিমানেই দেশে ফেরেন।

পরে লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি দুপুরে ইতিহাসের মহামানব বঙ্গবন্ধু সসম্মানে মাথা উঁচু করে বীরের বেশে স্বাধীন দেশে ফিরে আসেন। দেশ ফিরে পায় তার প্রিয় সন্তানকে, জাতি ফিরে পায় তাদের মহান নেতা জাতির স্থপতি বঙ্গবন্ধুকে। লাখো জনতা সেদিন ‘জয় বাংলা’ সেøাগানে সম্ভাষণ জানিয়েছিল প্রিয় নেতাকে, ঢাকার রাজপথ পরিণত হয়েছিল জনসমুদ্রে। তাই এই দিনটি আমাদের কাছে অত্যন্ত মহিমাময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। 

দেশের মানুষের কাছে ফিরতে পেরে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আবেগাপ্লুত, তাঁর চোখে ছিল আনন্দাশ্রæ। দীর্ঘ ১০ মাস পর দেশে ফিরেও তিনি পরিবারের কাছে না গিয়ে প্রথমে ছুটে গিয়েছিলেন বাংলার মানুষের কাছে। সেদিন স্বদেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমি মুসলমান। আমি জানি, মুসলমান মাত্র একবারই মরে। তাই আমি ঠিক করেছিলাম, আমি তাদের নিকট নতি স্বীকার করব না। ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় আমি বলব, আমি বাঙালি, বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা।’ বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার শিক্ষা নিয়ে এবং ন্যায়ভিত্তিক দীপ্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। 

দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।’ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘সাত কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি’ উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, ‘আজ আর কবিগুরুর সে কথা বাংলার মানুষের বেলায় খাটে না। বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছে, তারা বীরের জাতি, তারা নিজেদের অধিকার অর্জন করে মানুষের মতো বাঁচতে জানে।’   

বঙ্গবন্ধু সেদিন সবাইকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে, কিন্তু ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। তাই তিনি সবাইকে একতা বজায় রাখতে বলেছিলেন। আমরা এবছর স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্যাপন করতে যাচ্ছি, সেইসঙ্গে উদ্যাপন করছি বঙ্গবন্ধুর জš§শতবার্ষিকী বা ‘মুজিববর্ষ’। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও দেশবিরোধী বিভিন্ন চক্র সক্রিয় আছে, তাই আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দেশবিরোধী যেকোনো চক্রান্ত সবাই মিলে প্রতিহত করবÑএই হোক মুজিববর্ষের অঙ্গীকার।

সেই দেশবিরোধী চক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশের উন্নয়নের পথ রোধ করতে চেয়েছে; ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে মানবতার প্রতীক শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছে। কিন্তু তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন ধ্বংস করতে পারেনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের সোপান বেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘রূপকল্প-২০২১’ ও ‘রূপকল্প-২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি দারিদ্র্যমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত, আধুনিক ও উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে, ইনশাল্লাহ। এরই মধ্যে বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে সক্ষম হয়েছে; বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। এই দেশ আমার, আপনারÑসবার। আসুন সবাই আলোর পথের অভিযাত্রী হই। শিক্ষা ও জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করি প্রিয় মাতৃভ‚মি বাংলাদেশকে।

পিআইডি নিবন্ধ

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..