প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ঊর্ধ্বমুখী বাজারে চাহিদা বেশি ছিল বিমা খাতের

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকালও ইতিবাচক গতিতে লেনদেন হয়েছে। বেশিরভাগ শেয়ারের দর বৃদ্ধির পাশাপাশি সূচক ও লেনদেনে ছিল ইতিবাচক গতি। লেনদেনের প্রথমার্ধে শেয়ার কেনার পাশাপাশি বিক্রির চাপও সমান ছিল। তবে শেষার্ধে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে কেনার চাপ। অধিকাংশ খাতেই ছিল কেনার চাপ। তবে মুনাফা তোলার চাপ বেশি ছিল ব্যাংক ও টেলিযোগাযোগ খাতে। আগের দিন এ দুই খাত শতভাগ উত্থানে ছিল। অন্যদিকে গতকাল বিমা খাত ছিল চাহিদার শীর্ষে। তবে মাঝারি খাতগুলোর মধ্যে সিমেন্ট, সিরামিক ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শেয়ারের চাহিদাও বেশি ছিল।

গতকাল ১৫ শতাংশ লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে ওষুধ ও রসায়ন খাত। এ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ওরিয়ন ইনফিউশনের ২১ কোটি ৭১ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে সাড়ে সাত টাকা। ওরিয়ন ফার্মার ২০ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দর বেড়েছে আড়াই টাকা। ইন্দোবাংলা ফার্মার ১৫ কোটি ১১ লাখ টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। ১৪ শতাংশ লেনদেন হয় প্রকৌশল খাতে। এ খাতে ৬১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ওয়েস্টার্ন মেরিনের ১৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৩০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে ১০ম অবস্থানে ছিল। ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেড়ে আফতাব অটো দর বৃদ্ধিতে পঞ্চম অবস্থানে উঠে আসে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৫৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ভিএফএস থ্রেড ডায়িংয়ের ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৮০ পয়সা। ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেড়ে মেট্রো স্পিনিং দর বৃদ্ধিতে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে। সাড়ে ৯ শতাংশ বেড়ে সায়হাম টেক্সটাইল দর বৃদ্ধিতে নবম অবস্থানে উঠে আসে। বিমা খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৮১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে পাঁচটি ছিল বিমা খাতের কোম্পানি। প্রায় ১০ শতাংশ করে বেড়ে শীর্ষে উঠে আসে যথাক্রমে রূপালী লাইফ ও প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স। মেঘনা লাইফের দর ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ, পপুলার লাইফ ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ ও ফারইস্ট লাইফের দর ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়েছে। জ্বালানি খাতে ১০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতে ৬৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। খুলনা পাওয়ারের ৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে আড়াই টাকা। সামিট পাওয়ারের ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। এছাড়া ৩৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা লেনদেন এবং দুই টাকা দর বেড়ে বাজারের নেতৃত্ব দেয় লাফার্জহোলসিম। ব্যাংক খাতে ৫০ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। টেলিযোগাযোগ খাতের গ্রামীণফোনের লেনদেন রেকর্ড ডেটের কারণে বন্ধ ছিল। বিএসসিসিএল দরপতনে ছিল।