প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ঋণমান অবস্থানে ‘এএ+’ ও ‘এসটি-২’ পেলো রেনেটা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঋণমান অবস্থানে (ক্রেডিট রেটিং) ‘এএ+’ ও ‘এসটি-১’ পেলো রেনেটা লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন সার্ভিসেস লিমিটেডের (সিআরএসএল) রেটিং অনুযায়ী ওষুধ ও রসায়ন খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএ+’ এবং স্বল্প মেয়াদে হয়েছে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবদন ও ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হচ্ছে।

৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০১৪ সালের সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ৮০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৮ টাকা ২৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ১৮১ টাকা চার পয়সা।

এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৩৯ টাকা ৫৭ পয়সা এবং ১৮৫ টাকা ২০ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ১৬৮ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩৯ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার টাকা।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাতে ২৮ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ২৫ দশমিক ২১ শতাংশ। ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৫২ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৪৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছিল ১০ টাকা ৭২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৯ টাকা ৯৩ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ৭৯ পয়সা। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনএভি ছিল ২১৭ টাকা ৩১ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন ২০১৫ পর্যন্ত সময় ছিল ২০৬ টাকা ৬১ পয়সা। তিন মাসে ইপিএস বেড়েছে ১০ টাকা ৭১ পয়সা।

গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ বা পাঁচ টাকা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ এক হাজার ৮১ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল এক হাজার ৮১ টাকা ২০ পয়সা। দিনজুড়ে শেয়ারদর এক হাজার ৮০ টাকা ৩০ পয়সা থেকে এক হাজার ৯০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। ওইদিন কোম্পানির সাত হাজার ৩৮৪টি শেয়ার মোট ১৪১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৭৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর এক হাজার ৮০ টাকা থেকে এক হাজার ২৮৫ টাকায় ওঠানামা করে। কোম্পানিটির পাঁচ কোটি ২৯ লাখ ৫৩ হাজার ৫১৪টি শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে শেয়ার রয়েছে ৫১ দশমিক ১২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ১৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে ২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ১১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।