প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

এক্মি ল্যাবরেটরিজের ক্যাটাগরি পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি দি এক্মি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।

সূত্রমতে, ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। ফলে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর হয়েছে কোম্পানিটি। আর ‘এ’ ক্যাটাগরির অধীনে আগামীকাল (বুধবার) থেকে শুরু হচ্ছে এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে কোনো পরিবর্তন না হয়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১০০ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৯৯ টাকা ৭০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিন্ম ৯৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১০১ টাকার মধ্যে হাতবদল হয়। ওইদিন চার লাখ তিন হাজার ৫৮৫টি শেয়ার মোট এক হাজার ২৬০ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর চার কোটি দুই লাখ ৫২ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ৯৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১৩৫ টাকার মধ্যে হাতবদল হয়। কোম্পানির ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২১১ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৯১২ কোটি চার লাখ টাকা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছিল ছয় টাকা ৫৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৭৭ টাকা ৩৪ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে পাঁচ টাকা ৭০ পয়সা ও  ৭০ টাকা ৩৭ পয়সা। ওই বছর কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ১১০ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল  ৯২ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

সবশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, জুন ক্লোজিং কোম্পানিটির চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৭৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ৪৩ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ৩৬ পয়সা। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ৭৯ টাকা ১২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৭৭ টাকা ৩৪ পয়সা। অর্থাৎ এনএভি  বেড়েছে এক টাকা ৭৮ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩৭ কোটি ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানির মোট ২১ কোটি ১৬ লাখ এক হাজার ৭০০টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ২২ দশমিক ৮৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে এক দশমিক ৬০ শতাংশ ও ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।