প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

এক-চতুর্থাংশ লেনদেন হলেও সে অনুপাতে দর বাড়েনি ওষুধ খাতে

রুবাইয়াত রিক্তা: টানা তিন কার্যদিবস ধরে দরপতন হচ্ছে বাজারে। সূচক, বেশিরভাগ শেয়ারদর ও লেনদেনেও পতন হচ্ছে। গত এক মাসের মধ্যে প্রথম দিকে যতটুকু উত্থান হয়েছে, সবশেষ ছয় কার্যদিবসের মধ্যে পাঁচ কার্যদিবসে তার থেকে পতন হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। গতকাল লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমে এসেছে। দরপতন হয় ৬০ শতাংশ কোম্পানির। খাতভিত্তিক লেনদেনে দেখা গেছে, ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন বেড়েছে, তবে শেয়ারদর সে অনুপাতে বাড়েনি। মোট লেনদেনের প্রায় এক-চর্তুথাংশ বা ২৪ শতাংশ লেনদেন হয় ওষুধ ও রসায়ন খাতে। এ খাতে লেনদেন হয় প্রায় ৭৮ কোটি টাকা। দর বেড়েছে ৪০ শতাংশ কোম্পানির। এ খাতের ওয়াটা কেমিক্যালের সোয়া ১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১১ টাকা ৪০ পয়সা। জেএমআই সিরিঞ্জের সোয়া ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ১৭ টাকা ২০ পয়সা। বীকন ফার্মার সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৫০ পয়সা। সাড়ে সাত শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে ফার্মা এইড। এছাড়া শীর্ষ দশের তালিকায় থাকা এমবি ফার্মার দর সাড়ে চার শতাংশ ও লিবরা ইনফিউশনের দর সোয়া চার শতাংশ বেড়েছে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৯ শতাংশ। এ খাতে ৬৪ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। তবে মুন্নু জুট স্টাফলার্সের সাড়ে ১০ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৯৪ টাকা ৫০ পয়সা। অন্যদিকে প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে মুন্নু সিরামিক। দর বেড়েছে পাঁচ টাকা ২০ পয়সা। লভ্যাংশ ঘোষণার সময় ঘনিয়ে আসায় কোম্পানি দুটির শেয়ারদর ও লেনদেন খুব দ্রুত গতিতে বাড়ছে। তবে কোম্পানি দুটির শেয়ারদর এরই মধ্যে অতিমূল্যায়িত। ন্যাশনাল পলিমারের পৌনে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ১০ পয়সা। কোম্পানিটি রাইট শেয়ার ছাড়ার পাশাপাশি অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া গতকাল কোম্পানিটি সবশেষ হিসাববছরের জন্য ২২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। ন্যাশনাল টিউবসের সোয়া ছয় কোটি টাকা লেনদেন হলেও তিন টাকা ৬০ পয়সা দরপতন হয়। ১০ শতাংশ বেড়ে কে অ্যান্ড কিউ দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা আজিজ পাইপসের দর প্রায় সাত শতাংশ বেড়েছে। দেশবন্ধু পলিমারের দর প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে ৫৮ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। ডরিন পাওয়ারের প্রায় সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে দুই টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটি সবশেষ হিসাববছরের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। ইউনাইটেড পাওয়ারের সোয়া ছয় কোটি টাকা লেনদেন হলেও এক টাকা ২০ পয়সা দরপতন হয়। দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস। কাগজ ও মুদ্রণ খাতের হাক্কানি পাল্পের দর সোয়া পাঁচ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া আর কোনো খাতে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়নি।

সর্বশেষ..