প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

এক-পঞ্চমাংশ লেনদেন ওষুধ ও রসায়ন খাতে

রুবাইয়াত রিক্তা: আগের দিনের ধারাবাহিকতায় গতকালও ইতিবাচক ছিল পুঁজিবাজার। সমানসংখ্যক কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধি ও পতন হয়। শেয়ার কেনাবেচার চাপ প্রায় সমান হলেও সূচক ইতিবাচক ছিল। লেনদেনও বেড়েছে। মোট লেনদেনের এক-পঞ্চমাংশ হয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতে। লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করা ওষুধ ও রসায়ন খাতে কেনার প্রবণতা বেশি ছিল। তবে গতকাল বেশিরভাগ খাতে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা দেখা যায়। আগের দিন ওষুধ ছাড়াও জ্বালানি ও বিমা খাতের দর বাড়লেও গতকাল এসব খাতে মুনাফা তোলার প্রবণতা ছিল। শেয়ার কেনার প্রবণতা ছিল বস্ত্র ও প্রকৌশল খাতে। তুলনামূলকভাবে ছোট খাতের শেয়ারে বেশি আগ্রহ ছিল বিনিয়োগকারীদের।
ডিএসইর মোট লেনদেনের এক-পঞ্চমাংশই ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের দখলে। এ খাতে লেনদেন হয় ২০ শতাংশ বা প্রায় ৯৬ কোটি টাকা। দর বেড়েছে ৬২ শতাংশ কোম্পানির। ওরিয়ন ইনফিউশনের প্রায় ২০ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে পাঁচ টাকা ৮০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে। জেএমআই সিরিঞ্জের ১৮ কোটি টাকা লেনদেনে হয়। মুনাফা তোলার কারণে এ কোম্পানির শেয়ারদর প্রায় ১৮ টাকা কমেছে। সিলকো ফার্মার সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। স্কয়ার ফার্মার সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর কমেছে ৪০ পয়সা। বীকন ফার্মার সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ১০ পয়সা। সাড়ে পাঁচ শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে এসিআই লিমিটেড। তিন শতাংশ বেড়ে বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১২ শতাংশ। এ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে আলহাজ টেক্সটাইল। দেড় মাস ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকা সত্ত্বেও প্রায়ই শেয়ারটির দর বাড়ছে। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ৪৩ পয়সা লোকসানে রয়েছে। এছাড়া দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করা সায়হাম টেক্সটাইলের সোয়া আট শতাংশ ও স্টাইল ক্রাফটের ছয় শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১২ শতাংশ। এ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের প্রায় ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দর অপরিবর্তিত ছিল। দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে মুন্নু জুট স্টাফলার্স ও বিএসআরএম লিমিটেড। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে মুনাফা তোলার প্রবণতায় মাত্র ৩১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। লেনদেনের শীর্ষে থাকা খুলনা পাওয়ারের সাড়ে ২১ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় এক টাকা ২০ পয়সা। বিমা খাতে ১৪ শতাংশ লেনদেন হলেও দর বেড়েছে ৩৪ শতাংশ কোম্পানির। রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দর প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। পাট খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। এছাড়া গ্রামীণফোনের দর সাত টাকা ৮০ পয়সা বেড়েছে।

সর্বশেষ..