প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

এক বছরে শেয়ারদর বেড়েছে: জ্বালানি খাতের ৭৫% কোম্পানির

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: মন্দা কাটিয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। এ ধারাবাহিকতায় বাজারে ফিরতে শুরু করেছেন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। আর এর প্রভাবে বাজারে এক বছরে (১২ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ১২ জানুয়ারি ২০১৭ পর্যন্ত) সব খাতে দর বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। এ খাতের মোট ৭৫ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে।

ডিএসই থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিগত এক বছরের ব্যবধানে দর বেড়েছে ১৩টির, কমেছে পাঁচ কোম্পানির। দর বাড়া কোম্পানিগুলো হলোÑইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস লিমিটেড, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, লিনডে বাংলাদেশ, পদ্মা অয়েল কোম্পানি, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেম লিমিটেড, বাংলাদেশ  ওয়েলডিং ইলেকট্রোডস, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি (কেপিসিএল), সামিট পাওয়ার ও ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।

উল্লিখিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দর বেড়েছে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের। আলোচিত কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩০৬ টাকা ৯ পয়সা থেকে বেড়ে এক হাজার ২৮০ টাকা দুই পয়সা হয়। অর্থাৎ এ সময় কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ৯৩৩ টাকা তিন পয়সা।

দর বৃদ্ধিতে থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে ডেসকোর শেয়ারদর ৫১ টাকা তিন পয়সা থেকে বেড়ে ৫৭ টাকা দুই পয়সায় লেনদেন হয়। অর্থাৎ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে পাঁচ টাকা ৯০ পয়সা বা ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ। জিবিবি পাওয়ারের শেয়ারদর ১৮ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে ২৩ টাকা ৭০ পয়সা হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে পাঁচ টাকা।

যমুনা অয়েলের শেয়ারদর ১৫৩ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৯৩ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ৩৯ টাকা ৭০ পয়সা বা ২৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। লিনডে বিডির শেয়ারদর এক হাজার ১২৬ টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার ৩২৭ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ২০১ টাকা ৩০ টাকা।

পদ্মা অয়েলের শেয়ারদর ১৭৮ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১৯২ টাকা ৫০ পয়সায় লেনেদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ১৩ টাকা ৮০ পয়সা। পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারদর ৫১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৫৭ টাকায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে পাঁচ টাকা ৭০ পয়সা।

শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির শেয়ারদর ১২২ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১৪৮ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর ২৫ টাকা ৫০ পয়সা বেড়েছে। আর তিতাস গ্যাসের শেয়ারদর ৪৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৫১ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে দুই টাকা ৩০ পয়সা।

এদিকে, ডরিন পাওয়ারের শেয়ারদর ৮৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১১৩ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর ২৯ টাকা ৬০ পয়সা বেড়েছে। উল্লেখ্য, ডরিন পাওয়ার গত বছরের ৬ এপ্রিল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

অন্যদিকে, বিডি ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ারদর ২০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৮০ টাকায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে আট টাকা। সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের শেয়ার ৩১৮ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২১১ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে ১০৭ টাকা ৪০ পয়সা।

খুলনা পাওয়ারের শেয়ারদর ৭৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমে ৬৬ টাকায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে ১১ টাকা ৫০ পয়সা। সামিট পাওয়ারের শেয়ারদর ৪১ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৪১ টাকায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর ৪০ পয়সা কমেছে। আর ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারদর ১৬১ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১৫০ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হয়। সে হিসেবে কোম্পানির শেয়ারদর ১১ টাকা ২০ পয়সা কমেছে।