দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

এক মাস পর লেনদেন হাজার কোটি টাকার নিচে

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা এক মাসেরও বেশি সময় পর লেনদেন এক হাজার কোটি টাকার নিচে নেমে গেছে। গতকাল ডিএসইতে মোট ৯০৫ কোটি ৯০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিন থেকে ২১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা কম।

আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ১২৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকার। ডিএসইতে গতকাল লেনদেন এক মাস চার দিন বা ২৫ কার্যদিবস পর হাজার কোটি টাকার নিচে নেমেছে।

এদিকে টানা তিন কার্যদিবস পর গতকাল কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পুঁজিবাজার। বেড়েছে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটদর। দিন শেষে ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায় সূচকও। গতকাল ১৯ পয়েন্ট বেড়ে লেনদেন শেষে সূচকের অবস্থান হয় পাঁচ হাজার ৭১৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে গতকালের খাতভিত্তিক লেনদেনে চোখ রাখলে দেখা যায়, সবার শীর্ষে ছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। মূলত বিক্রয় চাপ থাকার কারণেই মোট লেনদেনে এগিয়ে যায় খাতটি। দিন শেষে মোট লেনদেনে এ খাতের একক অবদান দেখা যায় ১৯ শতাংশ। এই খাতটির মতো বিক্রয় চাপ ছিল বিবিধ খাতের কোম্পানিগুলোয়ও। সকাল থেকেই এ খাতের শেয়ারে বিক্রয় চাপ তৈরি হয়, যা প্রায় সারা দিনই অব্যাহত ছিল। দিন শেষে মোট লেনদেনে এ খাতের অবদান ছিল ১৭ শতাংশ।

এছাড়া গতকাল মোট লেনদেনে ওষুধ ও রসায়ন খাতের অবদান দেখা যায় ১২ শতাংশ। একইভাবে মোট লেনদেনে আর্থিক খাতের একক অবদান দেখা যায় ১১ দশমিক চার শতাংশ। অন্যান্য খাতের মধ্যে গতকাল মোট লেনদেনে এগিয়ে থাকতে দেখা যায় খাদ্য ও টেলিকমিউনিকেশন খাতকে। দুটি খাতই মোট লেনদেনে ১০ শতাংশের বেশি অবদান রাখতে সক্ষম হয়।

এদিকে গতকালের মোট লেনদেনের ৬৪ কোটি টাকা ছিল ব্লক মার্কেটের। গতকাল এই মার্কেটে মোট ৩২টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৬ কোটি ৯৭ লাখ ১৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে স্কয়ার ফার্মার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ কোটি ১৭ লাখ ৪৬ হাজার টাকার বেক্সিমকোর এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৫ কোটি ২৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার।

এছাড়া বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্লের ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকার, সিএপিএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ডের পাঁচ লাখ দুই হাজার টাকার, সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ১৭ লাখ ৩১ হাজার টাকার ও ডিবিএইচের ৪৪ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..