প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ‘ভাবছেন না’ শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:নতুন করে কভিড-১৯ বিস্তারের মধ্যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংক্রমণের খবর ‘না থাকায়’ এখনই তা বন্ধ করার কথা ‘ভাবছেন না’ শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘সারাদেশে শিক্ষার্থীদের টিকাদানের কর্মসূচি জোরালোভাবে চলছে, তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে টিকাদানে ভাটা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি, এখনও কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংক্রমণের খবর আমরা পাইনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও এই ব্যাপারটায় নজর রাখছে। আমাদের জাতীয় যে পরামর্শক কমিটি আছে তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছি, এখনও ভাবছি না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে।’

গতকাল রোববার সকালে সাভারে বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা জানান।

এর আগে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের অন্তত এক ডোজ টিকা দেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক বিধিনিষেধের মধ্যে ২০২০ সালের মার্চে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। পরিস্থিতির উন্নতি হলে গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর আবার শ্রেণিকক্ষে ফেরে শিক্ষার্থীরা।

এরই মধ্যে গত নভেম্বরে করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে। দেশেও কয়েকজনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

সম্প্রতি সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। সেখানে উম্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে সবাইকে বিধিনিষেধ মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে করোনাভাইরাস মোকাবিলা করতে হবে। তরাপরে যদি প্রয়োজন দেখা দেয় তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীদের প্রথম বিশেষ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আরিফুর রহমান ও বিপিএটিসির রেক্টর রমেন্দ্রনাথ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

দুই মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সে ২৯ জন সহকারী শিক্ষা প্রকৌশলী অংশ নিচ্ছেন।