প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের বোনাস লভ্যাংশ অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদের ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য সুপারিশকৃত বোনাস লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সাড়ে সাত শতাংশ নগদ ও সাড়ে সাত শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দেয়। ঘোষিত ওই লভ্যাংশ গত ২ জুন অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন করেন। কিন্তু বোনাস লভ্যাংশ চূড়ান্ত করার আগে বিএসইসির অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এজন্য কোম্পানিটি বিএসইসির কাছে আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে এই বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার অনুমোদন পেল। অনুমোদিত বোনাস শেয়ারের জন্য আগামী ১৩ জুলাই রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিদ্যমান আইনে বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া বোনাস শেয়ার ইস্যু করা যায় না। বিএসইসি পর্যালোচনা করে যে কোম্পানিকে মনে হবে বোনাস দেয়ার জন্য উপযুক্ত, সেই কোম্পানিরই কেবল বোনাস অনুমোদন দেয়া হবে।

কোম্পানিটির ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে তিন টাকা সাত পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ২৫ পয়সা। এছাড়া কোম্পানিটির শেযারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৮৯ পয়সা (ঘাটতি)। এর আগে কোম্পানিটি ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য সাড়ে সাত শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ সমাপ্ত হিসাববছরে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৯৬ পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বর তারিখে এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা।

কোম্পানিটি ২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন করছে। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৭৩৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। রিজার্ভের  পরিমাণ ২৪১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট ৭৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৭ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৭৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে তিন দশমিক ১৪ শতাংশ এবং বাকি ২৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।