কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

এমজেএল বাংলাদেশের ঋণমান ‘এএএ’ ও ‘এসটি-১’

নিজস্ব প্রতিবেদক : তেল ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যমতে, কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে পেয়েছে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে পাঁচ টাকা ৮৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬৪ পয়সা।

এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর এক দশমিক ৮৬ শতাংশ বা এক টাকা ৫০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৭৯ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৭৯ টাকা ৭০ পয়সা। ওইদিন কোম্পানিটির ৫৭ লাখ ২৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ৭০ হাজার ১৩০টি শেয়ার মোট ১৭১ বার হাতবদল হয়। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৭৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৮২ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ৬২ টাকা থেকে ১০২ টাকায় ওঠানামা করে।

আর ৩০ জুন ২০১৮ সালের সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে সাত টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৪৯ পয়সা। এটি আগের বছর ছিল যথাক্রমে ছয় টাকা ৯১ পয়সা ও ৩৪ টাকা ৯৩ পয়সা। ওই সময় মোট মুনাফা করেছিল ২১১ কোটি এক লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ২০৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। 

তেল ও জ্বালানি খাতের ‘এ’ ক্যাটেগরির এ কোম্পানি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩১৬ কোটি টাকা ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৫২ হাজার ২৮টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৭১ দশমিক ৫৩ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ১৯ দশমিক শূন্য চার শতাংশ, বিদেশি শূন্য দশমিক ৩১ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..