বিশ্ব সংবাদ

এয়ারলাইনসগুলোর দরকার আরও আট হাজার কোটি ডলার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ

শেয়ার বিজ ডেস্ক : করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিভিন্ন দেশ বিধিনিষেধ বাড়াচ্ছে। এতে এয়ারলাইনসগুলো আবারও বড় ধরনের ধাক্কা খেতে যাচ্ছে। বৈশ্বিক এয়ারলাইনসগুলোর জোট ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ) জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফায় করোনার ধাক্কা সামলাতে সাত থেকে আট হাজার ডলার সহায়তা প্রয়োজন। খবর: এএফপি।

করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত খাতের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এয়ারলাইনস। এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের সরকার এ খাতের কোম্পানিগুলোকে বাঁচাতে ১৬০ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা দিয়েছে। তবে প্রায় ৪০টির মতো কোম্পানি খুবই করুণ অবস্থায় রয়েছে। তারা দেওলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

আইএটিএ প্রধান আলেক্সান্ডার ডি জুনিয়াক বলেছেন, ‘আগামী মাসের মধ্যে এ শিল্পের জন্য অতিরিক্তি ৭০ থেকে ৮০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রয়োজন। অন্যথায় কোম্পানিগুলো টিকে থাকতে পারবে না।’ এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

করোনার প্রথম দফায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে বেশিরভাগ এয়ারলাইনসের প্রায় সব উড়োজাহাজই গ্রাউন্ড করা ছিল। এতে বড় ধরনের লোকসানে পড়ে যায় প্রতিষ্ঠানগুলো। বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের কোম্পানিগুলোকে বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়ে সহায়তা করেছে। সম্প্রতি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে শুরু করে বিভিন্ন দেশ। কিন্তু এরই মধ্যে দ্বিতীয় দফায় আবারও করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এতে ইউরোপ-আমেরিকাসহ বেশ কিছু দেশ আবারও বিধিনিষেধ কঠোর করছে। তাই এয়ারলাইনসগুলোর মাথায় চিন্তার ভাঁজ।

আইএটিএ আশঙ্কা করছে, ২০২০ সালে সব মিলিয়ে এয়ারলাইনসের চলাচল কমবে ৬৬ শতাংশ। ২০২৪ সালের আগে উড়োজাহাজ চলাচল ২০১৯ সালের আগে অবস্থায় ফিরে আসবে না বলে মনে করছেন এ সংগঠটির নেতারা। চলতি বছর এয়ারলাইনসগুলোর মোট আয় হবে ৪১৯ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি অর্ধেকেরও কম।

ডি জোনিয়াক মনে করছেন, এয়ারলাইনসগুলো এবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার লোকসানে থাকবে। এর আগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল লোকসান হবে ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী পর্যটন খাতে ধস নেমেছে। এতে এয়ারলাইনসগুলোর ব্যবসায় বড় প্রভাব পড়ছে। ব্রিটেনভিত্তিক উড়োজাহাজ সংস্থা ইজি জেট ২৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো এ বছর লোকসান গুনছে। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গত এক বছরে প্রতিষ্ঠানটির আয় অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির এক দশমিক ২৭ বিলিয়ন পাউন্ড লোকসান হয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..