এশিয়ার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি বাইডেনের

শেয়ার বিজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০ জাতির (আসিয়ান) তিন দিনের শীর্ষ সম্মেলন গতকাল শেষ হয়েছে। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বুধবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, গণতন্ত্র ও সাগরের ‘স্বাধীনতা’ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর পাশে থাকবে। এ প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি তাইওয়ানের প্রতি চীনের পদক্ষেপকে ‘জবরদস্তিমূলক’ বলে আখ্যায়িত করে এটি ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি হুমকি’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ ভার্চুয়াল সম্মেলনে এদিন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কোচিয়াংও যোগ দিয়েছিলেন। খবর: রয়টার্স।

বাইডেন বলেন, একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে ওয়াশিংটন ইন্দো-প্যাসিফিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে পারে।

দক্ষিণপূর্ব এশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি কৌশলগত যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। চীন দক্ষিণ চীন সাগরের অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং উগ্র গণতান্ত্রিক তাইওয়ানের ওপর সামরিক ও রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়ে তুলছে।

তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ‘পাথরসম দৃঢ়’ প্রতিশ্রুতি আছে বলে সম্মেলনে ফের উল্লেখ করেন বাইডেন। চীন ‘আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার’ প্রতি হুমকি তৈরি করছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘চীনের জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’

সম্মেলনে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কোচিয়াং বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি, স্থিতিশীলতা, জাহাজ চলাচল ও বিমান চলাচলের স্বাধীনতা সবার স্বার্থেই বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ চীন সাগর আমাদের সবার বাড়ি।’

সম্মেলনে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সমালোচনায় দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার নেতাদের সঙ্গে যোগ দেন বাইডেন।

মিয়ানমারের রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি ও দেশটিকে গণতন্ত্রে ফেরানোর আহ্বান জানিয়ে বাইডেন বলেন, ‘মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের কারণে সৃষ্ট শোচনীয়তা ক্রমবর্ধমানভাবে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে নাজুক করে তুলছে, যা মোকাবিলা করতে হবে আমাদের। জোটের সদস্য দেশ মিয়ানমারে কোনো প্রতিনিধি ছাড়াই মঙ্গলবার আসিয়ানের তিন দিনব্যাপী সম্মেলন শুরু হয়। আঞ্চলিক এ জোটের শান্তি প্রস্তাবকে অগ্রাহ্য করায় দেশটির ক্ষমতাসীন জান্তা প্রধানকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন   ❑ পড়েছেন  ৯০  জন  

সর্বশেষ..