বাণিজ্য সংবাদ

এসডিজি বিষয়ে সানেমের কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) এসডিজি সেন্টারের আয়োজনে গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশানের হোটেল লেক ব্রিজে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘অ্যাচিভিং এসডিজিস ইন বাংলাদেশ: প্রায়োরিটিজ, ইনস্টিটিউশনাল চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ফাইনান্সিং ইস্যুজ’ শীর্ষক দ্বিতীয় এসডিজিবিষয়ক কর্মশালা। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন যথাক্রমে সানেমের রিসার্চ ইকোনমিস্ট ও সানেম এসডিজি সেন্টারের সমন্বয়ক জোবায়ের হোসেন, সানেমের নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান এবং সানেমের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. বজলুল হক খন্দকার।

তিনটি পর্বে বিভক্ত এ কর্মশালাটির ‘সেটিং দ্য প্রায়োরিটিজ ফর অ্যাচিভিং এসডিজিস’ শীর্ষক প্রথম পর্বটি পরিচালনা করেন জুবায়ের হোসেন। তিনি তার উপস্থাপনায় এসডিজি সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক ধারণা তুলে ধরেন। পরবর্তীতে, এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতির হার বিশ্লেষণ করেন এবং দেখান, কয়েকটি এসডিজি চিহ্নিত করেন যেগুলো অর্জন, বাকিগুলো অর্জনে সহায়ক হবে।

‘ইনস্টিটিউশনাল চ্যালেঞ্জেস ইন ইমপ্লিন্টিং এসডিজিএস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক দ্বিতীয় পর্বটি পরিচালনা করেন ড. সেলিম রায়হান। তিনি অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। এছাড়াও তিনি আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠান, অনানুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠান এবং এগুলো মূল্যায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন। এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে বলে মত দেন তিনি।

কর্মশালাটির সর্বশেষ পর্বটি পরিচালনা করেন ড. বজলুল হক খন্দকার। ‘রিভিজিটিং দ্য এসডিজি ফাইন্যান্সিং ফ্রেমওয়ার্ক ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ পর্বটিতে ড. খন্দকার বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নের একটি কাঠামো উপস্থাপন করেন এবং মতামত দেন। বাংলাদেশের আগামী ১৩ বছরের মোট জিডিপির প্রায় ২০ শতাংশ দরকার হবে এসডিজি অর্জনের জন্য। এ অর্থায়নের উৎস ও চ্যালেঞ্জ নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।

সর্বশেষ..