কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলের ঋণমান ‘এ প্লাস’ ও ‘এসটি-৩’

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকৌশল খাতের কোম্পানি এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল স্টিলস লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফারেটিং)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এ প্লাস’ আর স্বল্প মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এসটি-৩’। ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং গত ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে কোম্পানিটির চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২০) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২২ পয়সা যা ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে ছিল ১৯ টাকা ৭৭ পয়সা। আর এ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ১৬ টাকা ৩৭ পয়সা (লোকসান), আগের বছর একই সময় ছিল আট টাকা ৯৪ পয়সা (লোকসান)।

২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ৫৫ পয়সা এবং ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা এক পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৯ টাকা ১৯ পয়সা।

এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে এক টাকা পাঁচ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৪৬ পয়সা।

কোম্পানিটি ২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৩৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৯৮৩ কোটি ৩৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৭১ হাজার ১০০ শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৫৩ দশমিক শূন্য সাত শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ২৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২০ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন এবং বাজারদরের ভিত্তিতে মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ২২ দশমিক ৮৬ এবং অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২৭ দশমিক ২৭।

এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর তিন দশমিক ৮১ শতাংশ বা ৯০ পয়সা বেড়ে থেকে প্রতিটি সর্বশেষ ২৪ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২৪ টাকা। ওইদিন কোম্পানিটির চার লাখ ৫৩ হাজার ৯২৮টি শেয়ার মোট ৪২৯ বার হাতবদল হয় যারা মোট মূল্য এক কোটি আট লাখ ৫০ হাজার টাকা। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনিম্ন ২৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৪ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ১৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২৫ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..