বিশ্ব সংবাদ

এয়ার কানাডার উড়োজাহাজে ঝাঁকুনি ৩৫ আরোহী আহত

মাঝ আকাশে

শেয়ার বিজ ডেস্ক: আকাশে অনেকটা অনিয়ন্ত্রিত অস্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় গতির সম্মুখীন হয়েছে এয়ার কানাডা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ। এতে অন্তত ৩৫ আরোহী আহত হয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে যাওয়ার উদ্দেশে গত বৃহস্পতিবার কানাডার ভ্যাঙ্কুভার সিটি থেকে উড্ডয়নের পর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৬ হাজার ফুট ওপরে এ বিপত্তি ঘটে। পরে হোনোলুলুর ড্যানিয়েল কে ইনুয়ে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়। খবর: বিবিসি।
যাত্রাপথে ঝড়ো বাতাস বা টারবুলেন্সের শিকার হওয়াটা বিমানের জন্য খুবই সাধারণ ঘটনা। তবে এক্ষেত্রে ক্ষতির মাত্রাটা নির্ভর করে টারবুলেন্সের মাত্রার ওপর, কেননা টারবুলেন্স হালকা, মাঝারি ও ভারীÑতিন ধরনেরই হতে পারে। হালকা মাত্রার টার্বুলেন্সে পড়লে বিমানকে তেমন একটা ঝাঁকুনির মুখে পড়তে হয় না।
বৃহস্পতিবার ২৬৯ যাত্রী ও ১৫ ক্রু সদস্যকে নিয়ে ভ্যাঙ্কুভার থেকে সিডনির উদ্দেশে যাত্রা করে এয়ার কানাডার ফ্লাইট ৩৩। কোনো ধরনের পূর্বাভাস ছাড়াই হঠাৎ করে টারবুলেন্সের মুখোমুখি হয়ে উড়োজাহাজটি ঝাঁকুনি খেতে থাকে।
মাইকেল বেইলি নামে এক বিমান আরোহী বলেন, ‘আমরা দ্রুত গতির টারবুলেন্সের আঘাতের সš§ুখীন হয়েছি। অনেক মানুষ বিমানের ছাদের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছে। অনেক চিৎকার করছিল তারা।’
ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মুখপাত্র আয়ান গ্রেগর বলেন, উড়োজাহাজটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৬ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে উড়ছিল। ঘটনার সময় এটি হোনোলুলু থেকে প্রায় ৬০০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
কানাডা এয়ার কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফ্লাইট, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তাকে আমরা সবচেয়ে প্রাধান্য দিয়ে থাকি। পূর্বসতর্কতা হিসেবে হোনোলুলুর যাত্রীদের পরীক্ষার জন্য চিকিৎসকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..