প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত ইয়াকিন পলিমার: মার্জিন ঋণ সুবিধা বন্ধ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ তথ্য জানা গেছে ।

সূত্রমতে, ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ফলে কোম্পানিটি ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। আর ‘এ’ ক্যাটাগরির অধীনে আগামী রোববার থেকে শুরু হচ্ছে শেয়ার লেনদেন।

এদিকে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক জারি করা ডাইরেকটিভ নং এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০৯-১৯৩/১৭৭ এবং বিএসইসির আদেশ নং এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০৯-১৯৩/১৭৮, তারিখ: ২৭-১০-২০১৫ অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটির ক্যাটাগরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত ক্যাটাগরিতে ওই সিকিউরিটি ক্রয়ের জন্য মার্জিন ঋণ দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জানিয়েছে। ক্যাটাগরি পরিবর্তনের প্রথম ৩০ দিন এ ঋণ দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ রোববার থেকে পরবর্তী ৩০ দিন পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

উল্লেখ্য, প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা এক পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৬২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল তিন কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

২০১৫ সালে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল এক টাকা ৯৮ পয়সা এবং এনএভি ছিল ১৪ টাকা ৬১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৬৪ পয়সা ও ১৫ টাকা ৪৩ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল পাঁচ কোটি ৫০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল তিন কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

গতকাল কোম্পানিটির তিন কোটি ৫৬ লাখ ৪৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ১১ লাখ ১৮ হাজার ৭২২টি শেয়ার মোট এক হাজার ১৪৫ বার হাতবদল হয়। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে শূন্য দশমিক ৩১ শতাংশ বা ১০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৩১ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩১ টাকা ৮০ পয়সা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ  ৩১ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩২ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ২৫ টাকা থেকে ১৪৭ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল ২৯ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে তিন পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৯৯ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ১৫ টাকা ৬২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল এক কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৬৪ কোটি ৯০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ১৬ কোটি তিন লাখ টাকা।