প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

‘এ’ ক্যাটাগরিতে রিজেন্ট টেক্সটাইল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য ।

সূত্রমতে, কোম্পানিটি ৩০ জনু ২০১৬ সমাপ্ত বছরে ১৮ মাসের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ফলে  ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। আর ‘এ’ ক্যাটাগরির অধীনে  আজ থেকে শুরু হচ্ছে এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন।

উল্লেখ্য, বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে এক দশমিক ১৬ শতাংশ বা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১৭ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ১৭ টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৬ টাকা ৮০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৭ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়। এদিন ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৬৪৯টি শেয়ার মোট ৯৬৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর চার কোটি ৩৭ লাখ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ১১ টাকা থেকে ২৪ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়। কোম্পানির ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৫৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছিল এক টাকা ৯৩  পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৩৭ পয়সা।  কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২১ কোটি ২৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত ১২ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল এক টাকা ২০ পয়সা এবং এনএভি ছিল ৩০ টাকা ৬৬ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১৩ কোটি ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ছয় মাসে ইপিএস ছিল ৭৩ পয়সা। মুনাফা ছিল আট কোটি চার লাখ ১০ হাজার টাকা।

২০১৪ সালে ইপিএস করেছিল দুই টাকা ৪৮ পয়সা এবং এনএভি ছিল ৩৩ টাকা ৬২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৯২ পয়সা ও ৩১ টাকা ১৭ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর মুনাফা ছিল ১৭ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটি সমাপ্ত বছরে প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছিল ২৮ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল ৪৫ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে ১৭ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত সময়ে এনএভি হয়েছে ৩১ টাকা ৬৭ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩১ টাকা ৩৭ পয়সা। অর্থাৎ এনএভি বেড়েছে ৩০ পয়সা।

মোট ১১ কোটি ৫৫ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৪১ দশমিক ৮৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঁচ দশমিক ৯২ শতাংশ ও ৩৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।