প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপন্ন হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

 

শেয়ার বিজ ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে চা রফতানি বাড়াতে পারবে। বাংলাদেশের চা শিল্পের উন্নয়নে পথনকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে চা উৎপাদন এ বছর রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। দেশের অভ্যন্তরী চাহিদা প্রায় ৭৮ মিলিয়ন কেজির বিপরীতে গত বছর প্রায় ৬৮ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। এবছর উৎপাদন ৮০ মিলিয়ন কেজি ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালের মধ্যে চা উৎপাদন ১৩০ মিলিয়ন কেজি করা সম্ভব হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চা বোর্ড আয়োজিত ‘বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী-২০১৭’ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, চা প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের চা শিল্পের অবস্থান ও প্রকৃতি, বিভিন্ন ধরনের চা ও চায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্যের প্রসার, চা বাগানের নিজস্ব সংস্কৃতি ও কৃষ্টি, ব্লেন্ডার ও চা শিল্পের অংশীদারের মিলনস্থল এবং চা পর্যটন শিল্পের প্রচার দেশের মানুষ জানতে পারবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, চা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী শিল্পপণ্য। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে অনেক। বাংলাদেশের চা বেশ উন্নত মানের। বিশ্ববাজারে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার নিয়ম মোতাবেক যে কোনো পণ্য রফতানির পাশাপাশি আমদানিও হয়। দেশের এ চা শিল্পকে সহায়তা প্রদানের জন্য চা আমদানির ওপর ট্যারিফ আরোপ করা হয়েছে। চা আমদানি করতে এখন চা বোর্ডের পূর্বানুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হলে চা আমদানির প্রবণতা আর থাকবে না।

রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের ২ নম্বর হলে আগামী ১২ থেকে ১৪ জানুয়ারি তিন দিন বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী চলবে। প্রদর্শনীতে ৩০টি প্যাভিলিয়ন এবং ২০টি স্টল থাকবে। চা শিল্পের যন্ত্রপাতি প্রদর্শনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এতে কোনো প্রবেশমূল্য থাকবে না। প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকেবে।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহা. সাফিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আরদাশির কবিরসহ মন্ত্রণালয় ও টি অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।