প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ওরিয়ন ফার্মা ও ওরিয়ন ইনফিউশনের ঋণমান প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওসুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড এবং ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। আর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের স্টেকহোল্ডারদের উদ্দেশে প্রাপ্ত রেটিং প্রকাশ করেছে।

ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড: কোম্পানিটি রেটিং পেয়েছে ‘এ১’। ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকঋণের অবস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ মূল্যায়ন করা হয়েছে কোম্পানিটিকে।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে চার টাকা এক পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৭৯ টাকা ৭৬ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১১ টাকা সাত পয়সা।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮২ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে ৫২ পয়সা। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা ৫৫ পয়সা। আর প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে এক টাকা ৫২ পয়সা।

২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ২৩৪ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৫৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির ২৩ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার রয়েছে।

ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড: কোম্পানিটি রেটিং পেয়েছে ‘এ৩’। ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকঋণের অবস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ মূল্যায়ন করা হয়েছে কোম্পানিটিকে।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ১০ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে এক টাকা ৪০ পয়সা।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ২৫ পয়সা। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮১ পয়সা। আর প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে সাত পয়সা।

১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা, আর পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ পাঁচ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটির দুই কোটি তিন লাখ ৫৯ হাজার ৭৬০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৪০ দশমিক ৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৩ দশমিক ৯০ শতাংশ, বিদেশি শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৫ দশমিক ২৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।