পুঁজিবাজার

ওরিয়ন ফার্মা ও পাওয়ার গ্রিডের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড। এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ওরিয়ন ফার্মা: কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে তিন টাকা ৭৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ৭৫ টাকা ১৯ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ছয় টাকা ১৯ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ১৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে অফিসার্স ক্লাব, ২৬ বেইলি রোড, রমনাতে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ নভেম্বর।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশ বা ২০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২৯ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২৯ টাকা ৫০ পয়সা। দিনজুড়ে দুই লাখ ২৬ হাজার ৪০৯টি শেয়ার মোট ৩১৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৬৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২৯ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়।

২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ২৩৪ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৬৭১ কোটি চার লাখ ৬০ হাজার টাকা।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড: ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে আট টাকা ৩৩ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৪৩ টাকা ৭৬ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ১৪ টাকা ৬০ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৫ জানুয়ারি সকাল ১০টায় পিজিসিবি হেড অফিস বিল্ডিং অডিটোরিয়াম, আফতাব নগরে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ ডিসেম্বর।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর এক দশমিক ৫৫ শতাংশ বা ৯০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৫৭ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৫৭ টাকা ৬০ পয়সা। ওইদিন ছয় লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৬টি শেয়ার মোট ৭৩৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর তিন কোটি ৯৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৫৭ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা ১০ পয়সায় ওঠানামা করে। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর ৪৭ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৬৮ টাকায় ওঠানামা করে। ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানির এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৪৬০ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৮৭ কোটি ৫৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির মোট ৪৬ কোটি ৯ লাখ ১২ হাজার ৯৯১টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৭৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ১৮ দশমিক ৭২ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ এবং বাকি চার দশমিক ৭৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।

সর্বশেষ..