দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

ওষুধ ও রসায়ন খাতে দর ও লেনদেন বৃদ্ধি অব্যাহত

রুবাইয়াত রিক্তা: ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ শুরু করায় পুঁজিবাজার গতিশীল হতে শুরু করেছে। আগের দিন লেনদেন না বাড়লেও গতকাল সূচক, শেয়ারদর ও লেনদেনে ছিল ইতিবাচক গতি। গতকাল ৭৬ শতাংশ কোম্পানিতে ছিল শেয়ার কেনার চাপ। তবে সব খাতেই ছিল কেনার প্রবণতা।  গতকালও ওষুধ ও রসায়ন খাত ছিল বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের তুঙ্গে। যে কারণে ২৩ শতাংশের বেশি লেনদেন হয় এ খাতে। লেনদেন ও দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে নেতৃত্ব দেয় ওষুধ খাতের বিভিন্ন কোম্পানি। তবে দর বৃদ্ধির দৌড়ে ভালো-মন্দ সব কোম্পানির দর বাড়াটা ভালো লক্ষণ নয়। কারণ দুর্বল কোম্পানিগুলোর দর বৃদ্ধিতে আকৃষ্ট হয়ে বিনিয়োগ করে এক সময় লোকসানে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ভেবেচিন্তে কোম্পানি বাছাই করা দরকার।

২৩ শতাংশের বেশি লেনদেন হওয়ার পাশাপাশি ওষুধ খাতে দর বেড়েছে ৯৩ শতাংশ কোম্পানির। ১৩ কোটি ১২ লাখ টাকা লেনদেন হয়ে স্কয়ার ফার্মা দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে। দর বেড়েছে দুই টাকা ৯০ পয়সা। বীকন ফার্মার ১২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে পাঁচ টাকা ৯০ পয়সা। ওরিয়ন ইনফিউশনের ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে সাত টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। ওরিয়ন ফার্মার আট কোটি ৭৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে তিন টাকা ৭০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে তৃতীয় অবস্থানে ছিল। কহিনূর কেমিক্যালের সাত কোটি ৪৭ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৩৯ টাকা ৮০ পয়সা। এটি দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। ওষুধ খাতে দরপতনে থাকা কোম্পানি দুটি হচ্ছে বহুজাতিক রেকিট অ্যান্ড বেনকিজার ও ম্যারিকো। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৪ শতাংশ। এ খাতে মাত্র দুটি কোম্পানি দরপতনে ছিল। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ১১টি কোম্পানির দরপতন হয়। ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়ে এপেক্স স্পিনিং দর বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে। গতকাল কোম্পানিটির শেয়ার একপর্যায়ে হল্টেড হয়।  জ্বালানি খাতে চারটি কোম্পানির দরপতন হয়। খুলনা পাওয়ারের ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে তিন টাকা ৭০ পয়সা। ব্যাংক খাতে পাঁচ প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। ব্যাংক এশিয়ার সাত কোটি ৭১ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ২০ পয়সা। গ্রামীণফোনের প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে চার টাকা ৭০ পয়সা। এছাড়া সিরামিক খাতের মুন্নু সিরামিকের ১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১১ টাকা ৩০ পয়সা। সিমেন্ট খাতের এমআই সিমেন্ট ও প্রিমিয়ার সিমেন্ট দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। লাফার্জহোলসিমের ১০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে এক টাকা ১০ পয়সা। এছাড়া খাদ্য খাতে চারটি, বিমা খাতে সাত কোম্পানি দরপতনে ছিল।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..