প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

ওষুধ খাতে লেনদেন বাড়লেও দর সংশোধন

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল দর সংশোধন হয়েছে। লেনদেন, সূচক ও বেশিরভাগ শেয়ারদরে পতন হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬০ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। বৃহৎ ও মাঝারি প্রায় সব খাতেই দরপতন হয়। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, তথ্য ও প্রযুক্তি খাত কিছুটা ইতিবাচক ছিল। লেনদেনের শীর্ষে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতে পাঁচ শতাংশ বা প্রায় ২০ কোটি টাকা লেনদেন বাড়লেও এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানি দরপতনে ছিল। তবে পাট, ভ্রমণ ও অবকাশ খাত তুলনামূলক ভালো অবস্থানে ছিল।
ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ২০ শতাংশ বা ৯১ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের এক পঞ্চমাংশ। এ খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ওরিয়ন ইনফিউশনের সাড়ে ১৬ কোটি টাকা লেনদেন হলেও ১০ পয়সা দরপতন হয়। সিলকো ফার্মার প্রায় ১৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে দুই টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল। বীকন ফার্মার ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। জেএমআই সিরিঞ্জের পৌনে ১০ কোটি টাকা লেনদেন হলেও ১৪ টাকা ৭০ পয়সা দরপতন হয়। প্রায় ছয় শতাংশ বেড়ে গ্লোবাল হেবি কেমিক্যাল দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৬ শতাংশ। এ খাতে ৪৮ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। সাড়ে ১২ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি কেডিএস এক্সেসরিজের দর পাঁচ টাকা ৮০ পয়সা বেড়েছে। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া সাড়ে সাত শতাংশ বেড়ে কে অ্যান্ড কিউ, সোয়া ছয় শতাংশ বেড়ে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৬২ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে লেনদেন হয় ৯ শতাংশ। এ খাতে ৬৩ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। প্রায় ১৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ারের পাঁচ টাকা ৮০ পয়সা দরপতন হয়। সোয়া পাঁচ শতাংশ বেড়ে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। আর কোনো খাতে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়নি। বিবিধ খাতে মাত্র ৩৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের সোয়া ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে এক টাকা ১০ পয়সা। সাড়ে পাঁচ শতাংশ দর বেড়ে খান ব্রাদার্স পিপি উভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। বেক্সিমকো লিমিটেডের সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেন হলেও দর অপরিবর্তিত ছিল। এছাড়া চামড়াশিল্প খাতের ফরচুন সুজের সোয়া ১২ কোটি টাকা, সিরামিক খাতের মুন্নু সিরামিকের সাড়ে ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়, তবে দুই কোম্পানি দরপতনে ছিল। খাদ্য খাতে ৫৮ শতাংশ, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ৬৬ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ৭৫ শতাংশ, পাট খাতে ৬৬ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এছাড়া জেড ক্যাটেগরির ইউনাইটেড এয়ারের দর ১০ শতাংশ বৃদ্ধির পাশাপাশি গতকাল একপর্যায়ে হলটেড হয়। দর বৃদ্ধির কারণ জানা যায়নি।

সর্বশেষ..