প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

কভিডকালে গর্ভবতীর যত্ন ও সরকারের প্রকল্প

ইরানী বিশ্বাস: বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষিত দম্পতি ছাড়া অধিকাংশ নারী অনাকাক্সিক্ষতভাবে গর্ভবতী হয়। তাই এসব ক্ষেত্রে নারীর স্বাস্থ্য সন্তান গ্রহণে সবসময় উপযুক্ত থাকে না। এজন্য বাংলাদেশ সরকার গর্ভকালীন সেবা প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়।

করোনাকালে গর্ভবতী মায়েদের অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রসবজনিত জটিলতা দেখা দিচ্ছে। কারণ গর্ভাবস্থায় কভিডে আক্রান্ত হওয়া, এমনকি করোনা সংক্রমণের ভয়ে তারা হাসপাতালে ডাক্তারের সেবা নিতে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছেন। এতে  গর্ভকালীন সেবা থেকেও বঞ্চিত হয়ে পড়ছেন। এমনকি প্রসবকালীন সেবা নিতে হাসপাতালে না গিয়ে অনেকেই বাড়িতে প্রসবের ব্যবস্থা করছেন। এই কারোনাকালে জাতিসংঘের নির্দেশনা অনুযায়ী, গর্ভধারণের সময় থেকে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত কোনো গর্ভবতী মা ও গর্ভস্থ শিশুর যতœ নিতে চারবার চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়। গর্ভকালীন যত্নের লক্ষ্য হলো মা ও গর্ভস্থ শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং গর্ভজনিত কোনো জটিলতা দেখা দিলে তার প্রতিরোধ করা বা তার চিকিৎসা করা। এককথায় মায়ের স্বাস্থ্যের কোনো অবনতি না করে সমাজকে একটি সুস্থ শিশু উপহার দেয়া প্রয়োজন। এ গাইডলাইনের লক্ষ্য গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ প্রসব-পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব গর্ভবতীর স্বামীসহ পরিবারের সবার সমান।

গর্ভাবস্থায় বেশি বেশি খেলে গর্ভবতী মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, মা প্রসবের ধকল সহ্য করার মতো শক্তি পাবেন এবং মায়ের বুকে বেশি বেশি দুধ তৈরি হবে। এছাড়া শিশু বেড়ে ওঠার জন্য আমিষজাতীয় খাবার, যেমন মাছ, মাংস, ডিম, ডাল ও দুধ বেশি করে খেতে হবে। এছাড়া সবুজ ও রঙিন শাকসবজি, তরকারি ও ফল ছাড়াও যেসব খবারে আয়রন বেশি আছে, যেমন কাঁচাকলা, পালংশাক, কচু, কচুশাক, কলিজা প্রভৃতি খেতে হবে। এছাড়া পরিমাণমতো পানি পান করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, রান্নায় যেন আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা হয়। গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক কাজকর্ম করা শরীরের জন্য ভালো। তবে ভারী কাজ যেমন কাপড় ধোয়া, পানিভর্তি কলসি, বালতি বা হাঁড়ি তোলা ঠিক নয়। বাড়িতে যদি টিউবঅয়েল থাকে, তবে অবশ্যই পরিবারের সদস্যদের উচিত গর্ভবতীকে টিউবঅয়েল ব্যবহার করতে নিষেধ করা। গর্ভাবস্থায় মুড সুইং হতে পারে। এ সময় বিষন্নতায় ভোগা একটি স্বাভাবিক বিষয়। হঠাৎ হঠাৎ মনের মধ্যে কষ্ট বেড়ে যেতে পারে। সামান্য কথায় কষ্ট পেতে পারেন। তাই এ সময় পরিবারের সদস্যদের উচিত গর্ভবতীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা। এ সময়ে অবশ্যই গর্ভবতীকে নিয়মিত গোসল করতে হবে এবং শরীরের সব অঙ্গ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে। সবসময় পরিষ্কার কাপড় পরতে হবে। এতে শরীরে অন্যান্য রোগ সহজে বাসা বাঁধতে পারবে না। এসময় মায়েদের নিয়মিত চুল পরিষ্কার করা ও আঁচড়ানো উচিত। সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকলে মন ভালো থাকে। সবসময় হাসিখুশি থাকলে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে।

অনেক সময় গর্ভাবস্থায় রক্তস্রাব হতে পারে, মাথাব্যথা করতে পারে। কখনও কখনও দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। গর্ভাবস্থায় যে কোনো সময় খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। আবার প্রসবের সময় বা প্রসবের পরও খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। কখনও কখনও ভীষণ জ্বর হতে পারে। প্রসবের নির্দিষ্ট তারিখ পেরিয়ে গেলেও প্রসববেদনা না হওয়া এবং নির্দিষ্ট তারিখের আগে প্রসববেদনা হওয়ার মতো যে কোনো লক্ষণ দেখা দিলেই দেরি না করে গর্ভবতী মাকে জরুরি সেবার জন্য দ্রুত হাসপাতালে বা নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। দেশের সাধারণ জনগণের গর্ভকালীন স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে জেলা হাসপাতাল, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে।

সঠিক জন্ম পরিকল্পনা থাকার পরও প্রতিবছর বাংলাদেশে অনেক গর্ভবতী মা মারা যাচ্ছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাতৃগর্ভেই সন্তান মারা যায়। কোনো কোনো শিশু জন্মের সময়ই মারা যায়। কোনো কোনো শিশু জন্মের কয়েক ঘণ্টা থেকে ছয় দিনের মধ্যে মারা যায়। আবার অনেক গর্ভবতী মা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে। আবার প্রসবের কয়েক ঘণ্টা পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেও মারা যেতে পারে। বাংলাদেশে এখনও ৮০ শতাংশ ডেলিভারি হয় গ্রামে এবং এখনও বাড়িতেই তাদের প্রসব করানো হয়ে থাকে। কোনো রকম প্রশিক্ষণ ছাড়াই গ্রামের অশিক্ষিত দাই দিয়ে প্রসব করানো হয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে।

ডব্লিউএইচও’র তথ্যানুসারে করোনার নানামুখী প্রভাবে ২০২০ সালে প্রায় দুই লাখ ২৮ হাজার শিশু এবং ১১ হাজার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। সুতরাং করোনা মহামারির সময়ে গর্ভবতী নারীদের কাছ থেকে পরিবারের সদস্যদের যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। এছাড়া তাদের জন্য পৃথক টয়লেটের ব্যবস্থা করা উচিত। গর্ভবতী মায়েদের করোনাকালে অবশ্যই গণপরিবহন, কিংবা যে কোনো জমায়েত এড়িয়ে চলা উচিত। তবে বাসায় অবস্থান করেও নিয়মিত টেলিভিশন থেকে বা অনলাইনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

সরকারি অনেক জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণার কারণে বর্তমানে অনেকে গর্ভকালীন জটিলতা সম্পর্কে জানতে পেরেছে। অনেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীকে বাসায় নিয়ে আসে প্রসব করানোর জন্য।

সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অক্সিজেন না থাকার কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে। আবার কোথাও কোথাও প্রয়োজনীয় যানবাহনের স্বল্পতার কারণেও দুর্ঘটনা ঘটে। যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুকূলে না থাকার কারণেও দুর্ঘটনা ঘটে। এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা থাকায় যানবাহনে গর্ভবতীকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া সম্ভব হয় না। আবার চরাঞ্চলে ও যাতায়াতের ক্ষেত্রে নৌকায় নদী পারাপার করতে হয়। সেখানে হয়তো মধ্যরাতে প্রসববেদনা শুরু হলে সারারাত অপেক্ষা করতে হয় সকালে নৌকা পারাপারের জন্য। এরই মধ্যে হয়তো সন্তান পেটের মধ্যে মারা যায় অথবা গর্ভবতী মা মারা যায়।

বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় বসবাসরত অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র ও পীড়িত। তাদের মধ্যে নারীদের অবস্থা আরও শোচনীয়, বিশেষ করে দরিদ্র গর্ভবতী মায়েদের বর্তমানে মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যের ধারণা শুধু মাতৃস্বাস্থ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। মাতৃস্বাস্থ্যের যত্নের বিষয়টি মানবাধিকার ও নৈতিকতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বলে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। জাতীয় স্বীকৃতি হিসেবে ‘ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচি’ চালু করা হয়েছে। এ সহায়তা দরিদ্র মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের একটি অন্যতম সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম, যার মাধ্যমে গর্ভধারণকাল থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত নির্ধারিত হারে নগদ অর্থ এবং আর্থসামাজিক ও সচেতনতামূলক সেবা প্রদান করা হবে। গর্ভবতী মায়েদের শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে সুস্থ ও সবলভাবে বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যসম্মত পরিচর্যা। তবে এই কর্মসূচি কেবল প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সরকার আশা করছেন, ‘ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচি সফলতার সঙ্গে পুরোপুরি চালু করা হলে এমডিজি ও পিআরএসপি ঘোষিত  লক্ষ্য অনুযায়ী দরিদ্র মা ও শিশুর মৃত্যুহার হ্রাস পাবে। মাতৃদুগ্ধ পানের হার বৃদ্ধি পাবে। গর্ভাবস্থায় উন্নত পুষ্টি উপাদান গ্রহণ বৃদ্ধি পাবে। প্রসব ও প্রসবোত্তর সেবা বৃদ্ধি পাবে। ইপিআই ও পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণের হার বৃদ্ধি পাবে। জন্ম নিবন্ধন উৎসাহিত হবে, ফলে দেশ এগিয়ে যাবে আরও কয়েক ধাপ।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ২০০৯ সালে নেয়া উদ্যোগের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে নারীর গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর জরুরি সেবা প্রদান কার্যক্রম চালু রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতকে মজবুত ও টেকসই করতে ১০৭টি মেডিকেল কলেজ, পাঁচ হাজার ১৮২টি বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক, প্রায় ১০ হাজার ৪০০ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ৪৬টি বিশেষায়িত হাসপাতাল ও অন্যান্য হাসপাতাল, ৪২৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচ লক্ষাধিক স্বাস্থ্যসেবাদানকারী কর্মী দেশের সব প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।

মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে মিডওয়াইফারি বা ধাত্রীসেবা বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশে মোট পেশাদার ধাত্রী আছেন চার হাজার ৩৯৬ জন এবং সহযোগী ধাত্রী আছেন সাত হাজার ২০২ জন। অর্থাৎ প্রতি ১০ হাজার গর্ভবতীর জন্য পেশাদার ধাত্রী আছেন শূন্য দশমিক তিনজন। এ সংখ্যা অপ্রতুল হলেও আরও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রী বা মিডওয়াইফ নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

কোনো গর্ভবতী বা সদ্য সন্তান প্রসবকারী মাকে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা হারে দুই বছর পর্যন্ত ভাতা প্রদান করার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর। এ সেবা প্রাপ্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আবেদন দাখিল করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক যাচাই-বাছাই করে উপজেলা কমিটির মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদন দিয়ে থাকে। এরপর নির্বাচিত ব্যক্তি নির্দিষ্ট ব্যাংকে ১০ টাকার বিনিময়ে ব্যাংক হিসাব খুললে তাতে ভাতা পাঠানো হয়। ভাতা প্রদানের পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের পারিবারিক স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন, মাতৃদুগ্ধপানের গুরুত্ব এবং আয়বর্ধমূলক কার্যক্রমের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রতি অর্থবছর শেষে নতুন ভাতাভোগী নির্বাচন করা হয়।

২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশের এক কোটি দরিদ্র মাকে টার্গেট করে ২০ বছর এক প্রজন্ম মেয়াদে বছরে পাঁচ লাখ মাকে টার্গেট করে ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ কার্যক্রম রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়নের আবেদন করেছে বেসরকারি সংস্থা ডরপ। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে দেশে কম-বেশি সাত লাখ দরিদ্র মা মাতৃত্বকালীন ভাতা পাচ্ছে। সাধারণত একটি ইউনিয়নে গড়ে ৭০-৮০ জনের বেশি গরিব গর্ভবতী পাওয়া যায় না। তাই ভাতা প্রদানের জন্য এক হাজার কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ দাবি করা হয়েছে। এরই মধ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১০টি উপজেলায় ২০১৫-১৭ অর্থবছরে ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে।

নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে ‘রূপকল্প ২০২১’ অনুযায়ী বর্তমান সরকারের লক্ষ্য মাতৃমৃত্যুর হার ২০২১ সালের মধ্যে এক দশমিক পাঁচ শতাংশে কমিয়ে আনা। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাতৃমৃত্যুর হার ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি লাখে জীবিত জš§ ৭০-এর নিচে এবং নবজাতক মৃত্যুহার প্রতি হাজারে জীবিত জš§ ১২-তে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচি (২০১৭-২২) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কাজেই শুধু করোনাকালেই নয়, সবসময়ই গর্ভবতী মায়েদের যতেœ সরকারের কাছ থেকে প্রসারিত আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পিআইডি নিবন্ধন