মত-বিশ্লেষণ

কভিডকালে শিশুদের প্রতি আলাদা মনোযোগ

করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কভিড-১৯) বিশ্বজুড়ে পারিবারিক জীবন এলোমেলো করে দিয়েছে। সময়ে শিশুসন্তানের প্রতি আলাদা মনোযোগ দিতে হয়। তাদের অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হয়, তাদের বোঝাতে হয় প্রজ্ঞার সঙ্গে।

মা-বাবা, অভিভাবক শিশুর কাছ থেকে কেমন আচরণ প্রত্যাশা করেন, তা তাকে বুঝিয়ে বলুন। শিশুকে কোনো কাজ করতে বলার সময় ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করুন। যেমন: ‘অগোছালো থেকো না’  ‘বিশৃঙ্খলা করো না’ এর বদলে বলতে পারেন ‘দয়া করে তোমার কাপড়-চোপড় সাজিয়ে রাখো’।

সবকিছুই উপস্থাপনার ওপর নির্ভর করে: শিশুসন্তানের সঙ্গে চিৎকার-চেঁচামেচি করলে তা কেবল আপনার ও তাদের ওপর চাপ আরও বাড়াবে এবং আরও সবাইকেই রাগিয়ে তুলবে। আপনার শিশুর নাম ব্যবহার করে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করুন। শান্তস্বরে তাদের সঙ্গে কথা বলুন।

শিশুর ভালো কাজের প্রশংসা: শিশুর ভালো কাজের প্রশংসা করুন প্রাণখুলে। তার কাজকে স্বীকৃতি দিন। আপনার শিশু বা কিশোর বয়সী সন্তান ভালো কিছু করলে তার জন্য তাদের প্রশংসা করার চেষ্টা করুন। তারা হয়তো এটি বুঝতে দেবে না, তবে আপনি দেখবেন তারা সেই ভালো কাজটি আবারও করবে। এটি তাদের পুনরায় আশ্বস্ত করবে যে, আপনি তাদের প্রতি খেয়াল রাখছেন এবং তাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বাস্তবতা মেনে নিতে হবে: আপনি শিশুসন্তানকে যা করতে বলছেন, তারা কি সেটা করতে পারছে? ঘরের ভেতরে পুরো দিন চুপচাপ থাকা একটি শিশুর জন্য খুব কষ্টসাধ্য, তবে আপনি যখন ফোনে কথা বলবেন তখন তারা ১৫ মিনিটের জন্য চুপচাপ থাকতে পারে।

কিশোর সন্তানকে সংযুক্ত থাকতে সহায়তা করতে হবে: কিশোর বয়সীদের বিশেষ করে তাদের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হওয়া প্রয়োজন। আপনার কিশোর বয়সী সন্তানকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার অন্যান্য উপায়গুলোর মাধ্যমে সংযুক্ত হতে সহায়তা করুন। এটি এমন কিছু যা আপনারা একসঙ্গেও করতে পারেন!

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..