দিনের খবর মত-বিশ্লেষণ

কভিডকালে শিশুদের প্রতি আলাদা মনোযোগ

করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কভিড-১৯) বিশ্বজুড়ে পারিবারিক জীবন এলোমেলো করে দিয়েছে। সময়ে শিশুসন্তানের প্রতি আলাদা মনোযোগ দিতে হয়। তাদের অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হয়, তাদের বোঝাতে হয় প্রজ্ঞার সঙ্গে।

গোছালো হওয়া: কভিড-১৯ আমাদের প্রতিদিনের কাজ, বাড়ি ও স্কুলের রুটিন কেড়ে নিয়েছে। এটি শিশু, কিশোর ও আপনার জন্য কঠিন সময়। নতুন রুটিন তৈরি করা এক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

নমনীয় তবে ধারাবাহিকভাবে দৈনিক রুটিন তৈরি করুন: আপনার ও আপনার শিশুসন্তানের জন্য এমন একটি সময়সূচি তৈরি করুন, যেখানে গোছালোভাবে সব কাজ করার পর অবসর সময়ও থাকে। এটি শিশুদের আরও নিরাপদ বোধ এবং আরও ভালো আচরণ করতে সহায়তা করবে।

শিশু বা কিশোররা স্কুলের সময়সূচি তৈরির মতো তাদের দিনের রুটিন তৈরিতে পরিকল্পনা দিয়ে সহায়তা করতে পারে। এটি তৈরিতে শিশুদের সহায়তা করলে তারা আরও ভালোভাবে এটি অনুসরণ করবে।

প্রতিদিন শরীরচর্চা: সময়সূচিতে প্রতিদিন শরীরচর্চার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করুন। এটি মানসিক চাপ কমাতে এবং বাড়িতে থাকা শিশুদের প্রচুর শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

শিশুকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে শিক্ষা দিন: আপনার দেশের জন্য প্রযোজ্য হলে শিশুদের বাড়ির বাইরে নিয়ে যান। লোকজনের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য আপনি চিঠি লিখতে ও ছবিও আঁকতে পারেন। এগুলো আপনার বাড়ির বাইরে টাঙিয়ে রাখুন, যাতে অন্যরা দেখতে পারে! আপনি কীভাবে আপনার সন্তানদের সুরক্ষিত রাখছেন, সে বিষয়ে কথা বলে আপনি তাদের আবার আশ্বস্ত করতে পারেন। তাদের পরামর্শ শুনুন এবং সেগুলোকে গুরুত্বসহকারে নিন।

হাত ধোয়া ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়গুলোকে মজার করে তুলুন: হাত ধোয়ার জন্য ২০ সেকেন্ডের একটি গান বানান। এর সঙ্গে কাজ যুক্ত করুন! নিয়মিত হাত ধোয়ার জন্য শিশুদের পয়েন্ট দিন এবং প্রশংসা করুন।

আমরা কত কম সংখ্যক বার আমাদের মুখমণ্ডল স্পর্শ করে থাকতে পারি, সেটা দেখার জন্য একটি খেলা তৈরি করুন এবং সবচেয়ে কম সংখ্যক বার যে স্পর্শ করবে তার জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখুন (একজন আরেকজনের স্পর্শের বিষয়টি গণনা করতে পারেন)।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..