মত-বিশ্লেষণ

কভিডকালে সন্তানের যত্ন সংক্রান্ত টিপস

মহামারি কভিড-১৯ চলাকালে শিশুসন্তানের যত্ন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করবে বিশেষজ্ঞ টিপস। কভিড বিশ্বজুড়ে পারিবারিক জীবন এলোমেলো করে দিয়েছে। স্কুল বন্ধ হওয়া, দূর থেকে কাজ করা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা এগুলো যে কারও জন্যই নতুন বিষয়, বিশেষ করে বাবা-মায়েদের জন্য। এই নতুন সাময়িক পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে বাবা-মা ও সেবাদানকারীদের একগুচ্ছ সহজ টিপস বা পরামর্শ প্রদানের জন্য ‘প্যারেন্টিং ফর লাইফলং হেলথ ইনিশিয়েটিভ’-এর সঙ্গে যোগ দিন।

সন্তানের যতœসংক্রান্ত টিপস: ১. কভিড-১৯ সম্পর্কে আলোচনা করা; ২. একজন আরেকজনকে সময় দেওয়া; ৩. ইতিবাচক থাকা; ৪. গোছালো হওয়া; ৫. খেলার মাধ্যমে শেখা; ৬. শিশুদের অনলাইনে নিরাপদ রাখা; ৭. বাড়িতে পারিবারিক সম্প্রীতি বজায় রাখা; ৮. শান্ত থাকা ও চাপ সামাল দেওয়া; ৯. খারাপ আচরণ বর্জন; ১০. রাগ সংবরণ; ১১. অর্থনৈতিক চাপের সময়ে পারিবারিক বাজেট করা; ১২. জনবহুল বাড়ি ও কমিউনিটিতে সন্তানের যত্ন; ১৩. প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতিপালন; ১৪. কিশোর-কিশোরীদের প্রতিপালন; ১৫. নবজাত শিশুর প্রতিপালন।

কভিড সম্পর্কে আলোচনা করা: শিশুদের সঙ্গে কথা বলুন। তারা এরই মধ্যে এ বিষয়ে কিছু না কিছু শুনে থাকবে। নীরবতা ও গোপনীয়তা শিশুদের সুরক্ষা দেয় না, বরং সুরক্ষা দিতে পারে সততা ও খোলামেলা আলোচনা। তারা কতটা বুঝতে পারবে, তা ভেবে দেখুন।

মন খোলা রাখুন ও শুনুন: শিশুকে নির্দ্বিধায় কথা বলার সুযোগ দিন। তাদের খোলামেলা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন এবং তারা এরই মধ্যে কতটা জেনেছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন।

সৎ হোন: সর্বদা সততার সঙ্গে তাদের প্রশ্নের উত্তর দিন। সন্তানের বয়স কত এবং তারা কতটা বুঝতে পারবে, সে সম্পর্কে ভাবুন।

সহায়ক হোন: শিশু আতঙ্কিত বা বিভ্রান্ত থাকতে পারে। তারা কেমন অনুভব করছে, তা প্রকাশ করার সুযোগ করে দিন এবং আপনি যে তাদের পাশে আছেন, সেটা তাদের নিশ্চিত করুন।

উত্তর জানা না থাকলেও সমস্যা নেই: আমরা জানি না, তবে এটি জানার চেষ্টা করছি; অথবা আমরা জানি না, তবে আমরা মনে করি এভাবেও তাদের বলা যায়। এ বিষয়টি সন্তানের সঙ্গে নতুন কিছু শেখার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করুন।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..