কভিডে বেড়েছে মৃত্যু শনাক্ত ৫১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: কভিডে আক্রান্ত হয়ে গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ জন মারা গেছেন। সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ৫১৮ জনের মধ্যে। তার আগের দিন মঙ্গলবার সারাদেশে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর ৫৪৩ জন নতুন রোগী পাওয়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই হিসেবে গত এক দিনে দেশে শনাক্ত কভিড রোগীর সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে কমলেও বেড়েছে মৃত্যু।

সব মিলে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত কভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৬৪ হাজার ১৯ জন। তাদের মধ্যে ২৭ হাজার ৭৩০ জনের মৃত্যু ঘটিয়েছে এ ভাইরাস।

সরকারি হিসাবে গত এক দিনে দেশে সেরে উঠেছেন আরও ৫০৫ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৫ লাখ ২৫ হাজার ৬৭৩ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।

গত এক দিনে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ৩৯৩ জনই ঢাকা বিভাগের, যা দিনের মোট শনাক্তের অর্ধেকের বেশি। আর যে ১৭ জন গত এক দিনে মারা গেছেন, তাদের ১৩ জনই ছিলেন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে সারাদেশে মোট ২২ হাজার ১৫৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ২০ হাজার ৬৯৭টি নমুনা।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ২ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা আগের দিন ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ ছিল।

এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৩ জন বাদে চট্টগ্রাম বিভাগের ১ জন, খুলনা বিভাগের ২ জন ও বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন ১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ১২ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ১ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ও ৩ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল।

তাদের মধ্যে আটজন পুরুষ, নয়জন নারী। ১৬ জন সরকারি হাসপাতালে এবং ১ জন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছর ৮ মার্চ। গত ৩১ আগস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হন।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৪ সেপ্টেম্বর তা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারির মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

সর্বশেষ..