প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

কমেছে ইন্দোনেশিয়ার আমদানি-রফতানি

শেয়ার বিজ ডেস্ক: চলতি বছরের জুনে ইন্দোনেশিয়ার আমদানি ও রফতানি কমেছে। ওই সময় আগের মাসের তুলনায় দেশটি থেকে রফতানি কমেছে ১৮ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং আমদানি কমেছে ২৭ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত মাসে ঈদের ছুটিতে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বাণিজ্যে এ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর সিনহুয়া।

ইন্দোনেশিয়ার পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্যমতে, জুনে দেশটি থেকে মোট ১১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যেখানে মে মাসে রফতানি হয়েছে ১৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। মাসের হিসাবে রফতানি কমলেও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। ওই সময় রফতানি হয়েছিল ১২ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে গত মাসে দেশটি মোট ১০ দশমিক শূন্য এক বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। মে মাসে আমদানি করেছিল ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর গত বছরের জুনে আমদানি হয়েছিল ১২ দশমিক শূন্য দুই ডলারের পণ্য।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে কার্যদিবস কম থাকায় ও পণ্যমূল্য নি¤œমুখী থাকায় গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার পণ্যের চালান কম ছিল।

তথ্যমতে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইন্দোনেশিয়া থেকে ৭৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ১৪ দশমিক শূন্য চার শতাংশ বেশি।

আর প্রথম ছয় মাসে ইন্দোনেশিয়ায় আমদানি হয়েছে ৭২ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ কম।

প্রাকৃতিক সম্পদনির্ভর ইন্দোনেশিয়ায় পণ্যের দাম কমে যাওয়ায় ২০১৪ সালের পর রফতানি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে থাকে।

২০১১ সালে দেশটি থেকে মোট ২০৩ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার মূল্যের রফতানি হয়েছে। গত বছর এ রফতানির পরিমাণ ১৫০ দশমিক চার বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। রফতানিতে এ পতনের ফলে সরকারি থেকে বেসরকারি কোম্পানিÑসব খাতেরই আয় কমে যায়।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমায় ও বিশ্ব অর্থনীতির শ্লথগতির কারণে ইন্দোনেশিয়ার রফতানিপণ্যের দাম ও চাহিদা ওই সময় কম ছিল। ফলে রফতানিতে তখন নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অপরিশোধিত পাম অয়েল ও তাপ কয়লা রফতানিতে বিশ্বের বৃহত্তম এবং রাবার ও কোকো রফতানিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ ইন্দোনেশিয়া। এছাড়া দেশটি তামা খনিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম দেশটি চলতি বছর পাঁচ দশমিক দুই শতাংশ ও আগামী বছর পাঁচ দশমিক এক শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা করছে।