দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

কমেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের দাপট

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ: করোনাকালের শুরু থেকেই লেনদেনে সবচেয়ে বেশি দাপট দেখা যায় ওষুধ ও রসায়ন এবং বিমা খাত। অন্য খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ না থাকলেও এ দুই খাতের শেয়ারে বিনিয়োগ করতে উৎসাহী দেখা যায় তাদের। তবে সম্প্রতি বিমা খাত আগের অবস্থানে থাকলেও আগ্রহে ভাটা পড়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের শেয়ারের।

কিছুদিন আগেও প্রায় প্রতিদিনই মোট লেনদেনে ওষুধ ও রসায়ন খাতের একক অবদান দেখা যেত ২৫ শতাংশের বেশি। মাঝেমধ্যে তা ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। সম্প্রতি হঠাৎ করেই এ খাতের শেয়ারে অনাগ্রহী হয়ে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। যে কারণে মোট লেনদেনে এ খাতের অবদান নেমে গেছে ১০ শতাংশের কম। যদিও এ খাতের কোম্পানির শেয়ারে অনাগ্রহ হওয়ার তেমন কোনো কারণ নেই। কারণ এখনও সিংহভাগ ওষুধ খাতের কোম্পানির শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছে। মূলত বিমা খাতে ঝুঁকে পড়ার কারণেই এই খাতটিতে লেনদেন কমে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  গতকালও এ খাতের লেনদেন ছিল হতাশাজনক।

গতকালের বাজার চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মোট লেনদেনে ওষুধ খাতের অবদান ছিল ৯ শতাংশের কিছু বেশি। যদিও এ পরিমাণ লেনদেন করে খাতটি মোট লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। প্রতিযোগিতায় বিমার চেয়ে অনেক বেশি পিছিয়ে ছিল খাতটি।

এদিকে আগের দিনের মতো গতকালও মোট লেনদেনে বিমা খাতের অবদান দেখা যায় ৪০ শতাংশের বেশি। মোট লেনদেনে গতকাল দিন শেষে বিমা খাতের একক অবদান দাঁড়ায় ৪২ শতাংশ। এছাড়া গতকাল প্রকৌশল খাতের আট দশমিক ১৯ শতাংশ, বিবিধ খাতের পাঁচ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং মিউচুয়াল ফান্ডের মোট লেনদেনে অবদান ছিল পাঁচ দশমিক সাত শতাংশ।

অন্যদিকে গতকাল লেনদেন শেষে বেড়েছে পুঁজিবাজারের সূচক। লেনদেন শেষে গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক বাড়তে দেখা যায় ২৪ পয়েন্ট। সূচক স্থির হয় চার হাজার ৯০২ পয়েন্টে। সূচকের পাশাপাশি গতকাল বাড়তে দেখা গেছে লেনদেনও। গতকাল ডিএসইতে মোট ৭৮৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হতে দেখা গেছে। এর মধ্যে ব্লক মার্কেটের লেনদেন ছিল ১১ কোটি টাকা। গতকাল এই মার্কেটে মোট ২৭টি কোম্পানি লেনদেনে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের। এই কোম্পানিটি গতকাল মোট দুই কোটি ৯৭ লাখ টাকার লেনদেন করে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..