দিনের খবর মত-বিশ্লেষণ

করোনাকালেও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

আবুল কাসেম হায়দার: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেপথ্যে মূল কারণ ছিল প্রধানত দুটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি; দুটি কারণই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। কাউকে সমাজে পেছনে ফেলে রাখা যাবে না, সবার জন্য একদিন শেষ পরিণতির দিন আসবে। ইদানীং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বেশ গতি এসেছে, কিন্তু সেটি সীমিত কয়েকটি ক্ষেত্রে। তৈরি পোশাক রপ্তানি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, সামষ্টিক এসব সূচকের উন্নতি হয়েছে। কিন্তু মূল সমস্যা হচ্ছে সামষ্টিক সূচকের প্রতিফলন ঘটছে না মানুষের জীবনযাত্রার ওপর, বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জন্য। খাদ্যদ্রব্য, বিভিন্ন সেবা এবং আনুষঙ্গিক অত্যাবশ্যকীয় উপকরণের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক সাধারণ মানুষের আয় নেই, অনেকের আয় কমে গেছে এবং এরই মধ্যে বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি অসহনীয় হয়ে পড়েছে।

বর্তমান সময়টা বড় দুঃসময় বটে। করোনা মহামারি জনমনে ভীতি তৈরি করেছে। তাতে অর্থনীতিতেও বেশ প্রভাব পড়েছে। আমরা করোনা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলাম। এর পরও আমরা কিছু শুভ সংবাদে সুখ পাচ্ছি, আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।

কঠিন এক সময়ের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ চলেছে। কভিডের কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক দুর্যোগে আমরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। কয়েক দিন ধরে পত্রিকার নানা খবরে মনটা ভরে যাচ্ছে। গণমাধ্যমের খবর হলোÑমহামারিকালেও রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৩ শতাংশ, এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ, তৈরি পোশাকশিল্পে আশার আলো, রেমিট্যান্স রিজার্ভের মতো রাজস্ব আয় আদায়ও বিস্ময়, করোনার দুঃসময়েও মেগা প্রকল্প থেমে নেই। করোনার কারণে এই দুর্যোগের মধ্যে এমন সব সংবাদে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।

করোনা সংকটেও দেশের এমন অগ্রগতি কী কারণে, যেখানে ভারতসহ বিশ্বের সব উন্নত দেশের অর্থনীতি দিশাহারা, গতিহীন ও পথহারা! আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কিছু কঠিন, সুন্দর ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত অর্থনীতিকে বাজে প্রভাব থেকে মুক্ত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রীর সাহসী সিদ্ধান্তে কলকারখানার ইতিবাচক ফলও এটা। সব মহল থেকে বারবার বলা হচ্ছিল যেন দেশ পূর্ণ লকডাউনে যায়। সরকারের ইচ্ছায় লকডাউনে ছিল শিথিলতা। সবাই বলছিলাম তৈরি পোশাকসহ সব কারখানা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার কথা। দেশে পরিবহন চালু না করার কথাও বলা হয়েছিল। ভীতিকর পরিস্থিতিতে সারা বিশ্ব যখন লকডাউনে, তখন আমাদের দেশের তৈরি পোশাকশিল্প কলকারখানা, পরিবহন সবকিছু চালু করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের সুফল এখন আমরা পাচ্ছি। ১৯৭১ সালে এদেশের মানুষ বাঁশ ও লাঠি হাতে নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে অসীম সাহসে। ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে দেশে মানুষ যেমন থেমে ছিল না, যার যার কাজ করেছে, তেমনি প্রবাসীরাও হাত-পা গুটিয়ে না থাকায় আজ রেমিট্যান্স, রিজার্ভ ও রাজস্ব আদায় বাড়ছে। দুঃসময়ে তৈরি পোশাকশিল্প আমাদের আশার আলো দেখাচ্ছে। আমাদের দেশ থেকে তৈরি পোশাক নেওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে আমদানিকারকদের। সাহসিকতা ও সব ধরনের পরিস্থিতিতে কাজ করার ইচ্ছাশক্তি আমাদের এগিয়ে নিচ্ছে, এগিয়ে নেবে পুরো দেশকে। আজ আর বাংলাদেশ তথাকথিত তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও ঠিকই বলেছেন, ‘১০ বছর আগের বাংলাদেশের সঙ্গে বিরাট ব্যবধান।’ কথাটা নিরেট সত্য। এসময় আমাদের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে, আমাদের সক্ষমতা বেড়েছে। উন্নয়নে ও অর্থনীতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। রাস্তাঘাট, ব্রিজ প্রভৃতির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। গ্রামগঞ্জে ছোট-বড় রাস্তা পাকা। স্বপ্নের মেট্রোরেল হচ্ছে। পদ্মা সেতু হচ্ছে দেশের নিজস্ব অর্থায়নে। এটি দেশের সবচেয়ে বড় সফলতা।

কভিডকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে, এটা অত্যন্ত আশাবাদের কথা। করোনা মহামারি পৃথিবীর সব দেশের অর্থনীতিতে রীতিমতো ধস নামিয়েছে। সব দিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি অনেক ভালো। আমরা ভাবছিলাম যে হারে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের দেশে মানুষ করোনায় মারা যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে আমাদের দেশের মানুষ চিকিৎসার অভাবে রাস্তায় রাস্তায় মরে পড়ে থাকবে। না, তা হয়নি। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন এখন পর্যন্ত। বাকি সময় এভাবে আমাদের হেফাজত করলে জাতি হিসাবে আমরা অর্থনৈতিকভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব।

অনেক দেশেরই জিডিপির প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ধারায় চলে এসেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনা দারুণভাবে আঘাত হেনেছে। রপ্তানি আয় বেশ কমে গিয়েছিল। রাজস্ব আদায়ের হার কমেছে। মুলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি আরও কমেছে। চাকরি হারিয়েছে লাখো মানুষ। দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ কি পারবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে যেতেÑসৃষ্ট হয়েছিল এমন প্রশ্ন বা সন্দেহের। তা কেটেছে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) এবং সরকারের যৌথ পর্যবেক্ষণে। জাতির মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনেতিক ভঙ্গুরতাÑতিন সূচকেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। আমরা আশা করতে পারি যদি উন্নতির এই ধারা ঠিক থাকে তাহলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হতে সক্ষম হবে। কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলেছে।

অবকাঠামো খাতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান বাস্তবতা। দেশ আজ প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে যাচ্ছে। মাথাপিছু আয় আমাদের এখন দুই হাজার ডলার অতিক্রম করেছে। করোনাকালেও আমাদের প্রবৃদ্ধি বিগত তিন মাসে বেশ এগিয়েছে। তৈরি পোশাকশিল্প ছাড়াও অন্যান্য খাতে রপ্তানি বেড়েছে। আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে পৃথিবীর ১৬৬ দেশে। প্রবাসী আয় করোনাকালেও বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের অগ্রগতির কিছু কিছু স্বীকৃতিও আমরা পাচ্ছি। লন্ডনভিত্তিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান বিএমআই রিসার্চ ভবিষ্যতে যে ১০টি উদীয়মান বাজারকে চিহ্নিত করেছে, তার মধ্যে প্রথম স্থান দখল করে আছে বাংলাদেশ। তাদের তথ্য অনুযায়ী তৈরি পোশাকশিল্প ও কৃষিভিত্তিক পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ বেশ জোরালো প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ব্লুমবার্গ বলেছে, বাংলাদেশ হতে পারে পৃথিবীর সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশ। ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড বা আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ এখন তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশেও দৃশ্যমান অগ্রগতি বেশ কিছু খাতে দেখা যাচ্ছে।

শুধু অর্থনেতিক অগ্রগতি নয়, জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার, নারীর উন্নয়নসহ সামাজিক নানা সূচকে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলেছে। ফলে অতি সহজে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশ হতে যাচ্ছে। সিডিপি ও সরকারের যৌথ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘে যে পর্যালোচনা করার কথা রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশ তিনটি সূচকেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এগিয়ে থাকবে।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী গত বছরের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে করোনাকালে রাজস্ব আয় প্রথম তিন মাসে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি আদায় হয়েছে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের অন্যতম ক্রেতা সুইডেনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম। বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক ক্রয় করা হয়। বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ১০ শতাংশ এই কোম্পানি কেনে। এই কোম্পানি করোনাকালে কোনো রপ্তানি আদেশ বাতিল করেনি। স্থগিত ক্রয় আদেশের পণ্য নেওয়া শুরু করেছে। নতুন ক্রয়াদেশও দিয়েছে। গত কয়েক মাসে এই কোম্পানি প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ক্রয়াদেশ বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের দিয়েছে। দেশের প্রায় ৩০০টি পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান এই কোম্পানির কাজ করে।

করোনাকালে তুরস্ক ও চীন থেকে অনেক রপ্তানি আদেশ বাংলাদেশে এসেছে। বাংলাদেশে উৎপাদন খরচ কম হওয়াই এসব রপ্তানি আদেশ আসার মূল কারণ। তাছাড়া করোনাকালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প চালু থাকায় সহজে রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। এটি সরকারের একটি সাহসী উদ্যোগ ছিল যে, করোনাকালে তৈরি পোশাকসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া।

আমাদের সবাইকে স্বীকার করতে হবে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নের ইতিহাস একটি অনন্য ঘটনা। নানা চড়াই-উতরাই পাড়ি দিয়ে আজকের এই পর্যায়ে বাংলাদেশ পৌঁছেছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আমাদের প্রত্যাশা, সবকিছু মোকাবিলা করে বাংলাদেশ যথাসময়ে উন্নত দেশের কাতারে স্থান করে নিতে পারবে, যদি আরও কিছু বিষয়ে আমাদের শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া যায়Ñ

১. সুশাসন: আজ দেশে অনেকে বলেন, অনেক স্থানে সুশাসন নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। নানা কারণে এটি হতে পারে। উন্নত দেশ হতে হলে সুশাসনের সূচকে আমাদের উন্নতি লাভ করতে হবে। সবার জন্য আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। দলমত নির্বিশেষে সবার জন্য সুশাসন নিশ্চিতের জন্য আরও বেশি পদক্ষেপ নিতে হবে। বিচার বিভাগকে আরও বেশি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুবিবেচক হিসেবে এগিয়ে আসতে হবে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে আরও বেশি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আরও বেশি হওয়ার জন্য সর্বত্র সুশাসনের প্রয়োজন অনেক বেশি।

২. মানুষের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা: দেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি অসন্তোষ, অস্থিরতা ও অবিশ্বাস যেন জš§ নিয়েছেÑ‘আমরা আমাদের মতামত ও আমাদের ভোটের অধিকারকে যেন যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারছি না।’ এই অবিশ্বাস থেকে আমাদের বের হয়ে আসবে হবে। সব স্তরে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে আরও বেশি উদ্যোগ হতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা গ্রহণ করে জনগণের স্বার্থে এগিয়ে আসতে হবে।

৩. দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিকার: দেশে করোনাকালে বিভিন্ন স্তরের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার চিত্র বেশ ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। নানাভাবে দুর্নীতির ফলে ব্যাংক ও আর্থিক খাত বেশ ঝুঁকিতে পড়ে আছে। দুর্নীতি ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার জন্য শেয়ারবাজার এখন তলানিতে পৌঁছে গিয়েছে। উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাতে হলে এসব খাতের মেরামত দ্রুত প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধি, সাধারণ নাগরিক, ব্যবসায়ী ও আমলাদের অনেকেই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন। এ পরিস্থিতি সরকারের সব ভালো উদ্যোগ ও উন্নয়নকে ম্নান করে দিচ্ছে। গুটিকয়েক দুর্নীতিবাজ আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মী সরকারের সব মহতী উন্নয়নের গৌরবকে যেন মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে তৎপর হয়েছেন। এভাবে চলতে পারে না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জš§শতবার্ষিকীতে ‘দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন করা হোক আমাদের সবার অঙ্গীকার। তবেই আসবে আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশের আসল রূপ। আমাদের এগিয়ে চলার পথ হবে আরও বেশি উজ্জ্বল ও মসৃণ।

গবেষক, শিক্ষানুরাগী, সম্পাদক ও শিল্পোদ্যোক্তা

[email protected]

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..