সুস্বাস্থ্য

করোনাকালে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেবে ইভ্যালি

করোনা মোকাবিলায় সতর্কতার অংশ হিসেবে সবাইকে নিজ বাসা-বাড়িতে অবস্থানের পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। বলা হচ্ছে, সেলফ বা কোয়ারেন্টিনের মাধ্যমে প্রাণঘাতী করোনার বিস্তার রোধ করা সম্ভব। এমন প্রেক্ষাপটে নাগরিকদের বাড়িতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেবে ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ ইকমার্স ভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি জানিয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য গ্রাহকেরা যেন ঘরে বসেই পেতে পারেন সেজন্য ‘ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ’ নামে নতুন একটি ক্যাম্পেইন করতেযাচ্ছে তারা।

গতকাল শুরু হয়েছে ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপের কার্যক্রম। তবে এ শপে পাওয়া যাবে না মাছ, মাংসের মতো কাঁচাবাজারের পণ্য। গ্রাহকেরা তাদের পণ্য অর্ডার করার পর সর্বনি¤œ এক ঘণ্টা থেকে ক্ষেত্র বিশেষে সর্বোচ্চ ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে নিজেদের বাড়িতে বসেই পাবেন পণ্য।

ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল বলেন, আমাদের প্ল্যাটফর্মে ১৮ লাখের বেশি গ্রাহক ও প্রায় ২০ হাজার বিক্রেতা রয়েছেন। তাদের অনেক বিক্রেতা মুদি দোকানের পণ্য বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করেন। আবার এ ধরনের পণ্য উৎপাদন ও খুচরা বাজারে সরবরাহ করে এমন করপোরেট প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। করোনার এ সংকটকালীন মুহূর্তে আমাদের বিশাল এ রিসোর্সকে জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে কাজে লাগাতে চাই। বিভিন্ন মহল্লা বা এলাকায় যারা এ ধরনের পণ্যের দোকান পরিচালনা করেন তারা ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপে যুক্ত হতে পারেন। যেসব গ্রাহক আমাদের প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হননি তারাও ইভ্যালিতে যুক্ত হয়ে পণ্য অনলাইনে অর্ডার করে ঘরে বসে বুঝে পাওয়ার এ সেবা নিতে পারেন।

রাসেল আরও বলেন, আমরা চাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের পরামর্শ মেনে সবাই ঘরে থাকুক। আমাদের ক্ষুদ্র অবস্থান থেকে আমরা কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখতে চাই। সব ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে গ্রাহকদের বাসায় দ্রুত আমরা পণ্য পৌঁছে দেব।

ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপে গ্রাহক তার অবস্থান থেকে অনলাইনে অর্ডার করবে। তাদের নিকটস্থ দোকানগুলো ইভ্যালিতে যুক্ত থাকবে। যে বিক্রেতার দোকানের অনুকূলে অর্ডার এসেছে তিনি সর্বনি¤œ এক ঘণ্টা থেকে পণ্য ও ক্ষেত্রবিশেষে সর্বোচ্চ ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করবেন। এক্ষেত্রে বাজারদরের বিবেচনায় পণ্যের দাম ইভ্যালি নির্ধারণ করে দেবে, যা কোনোভাবে বাজারদর থেকে বেশি হবে না। সব পণ্যের দায়িত্ব বিক্রেতার। তবে বিক্রেতাদের কারিগরি সহায়তা দেবে ইভ্যালি। যেমন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তা প্রয়োজন হলে ইভ্যালি দেবে। একই সঙ্গে বিক্রেতাদের সেলারদের উৎসাহিত করতে তাদের মোট অর্ডারের ওপর পাঁচ শতাংশ হারে বোনাসও দেবে ইভ্যালি।

রাজধানীতে ৮টিসহ পুরো দেশে প্রায় ৫০টি ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..