মত-বিশ্লেষণ

করোনাকাল ও সরকারি সহায়তা ব্যবস্থাপনা

মঈনউল ইসলাম: সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমেদের ‘রিলিফ ওয়ার্ক’ গল্প স্কুলের পাঠ্যবইয়ে পড়ার সময় কল্পনায় চিত্রায়নের চেষ্টা করেছি ত্রাণ বিতরণের নামে মুখোশধারী কতিপয় সমাজসেবকের প্রকৃত চেহারা। হাড্ডিসার দুর্গত মানুষের সমবেদনায় ব্যথিত হয়েছি কতবার। ১৩৫০ বঙ্গাব্দের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ত্রাণ ব্যবস্থাপনার ভয়ংকর অসংগতি নিয়ে তার পাঠকনন্দিত ব্যঙ্গরচনার সংকলন ‘ফুড কনফারেন্স’ প্রকাশিত হয়। তারপর এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। ব্রিটিশরা ছেড়েছে ভারতবর্ষ; বাংলাদেশ হয়েছে স্বাধীন। তলাবিহীন ঝুড়ি তত্ত্বের প্রবক্তাদের মুখে ছাই দিয়ে শামিল হয়েছে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায়। সামাজিক সূচকে লাভ করেছে ঈর্ষণীয় সাফল্য। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে উন্নয়নশীল বিশ্বের রোলমডেল হিসেবে। বিষয় একই হলেও তাই বাস্তবতা ভিন্ন। উপস্থাপন করব কিছু পরিসংখ্যান, কিছু শিক্ষা এবং ত্রাণ ব্যবস্থাপনা অধিকতর ফলপ্রসূ করার কতিপয় সুপারিশ।

গত ৮ মার্চ রোগী শনাক্তের মাধ্যমে কভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনায় আসে। তার পর থেকেই জনস্বার্থে অফিস-আদালত বন্ধসহ বিভিন্ন রকম নিষেধাজ্ঞা আসতে শুরু করে। অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েন। কর্মহীন হয়ে পড়া সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে সরকারি সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা বিতরণ ও ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসন সর্বশক্তি নিয়োগ করে। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও এনজিও নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও অর্থ সহায়তা বিতরণ করে। এবারের পরিস্থিতির ভিন্নতা রয়েছে। শুধু সহায়তা বিতরণ করলেই হবে না; সহায়তা বিতরণের স্থানে উপকারভোগীদের মধ্যে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, মুখাবরণ পরিধান এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। ত্রাণ বিতরণের স্থানে হুড়োহুড়ি কিংবা ধাক্কাধাক্কির ঘটনা একটি বহুদিনের পুরোনো ও প্রচলিত অভ্যাস। তাই স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করা ছিল একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে কিছু মানুষের অবিরাম ছুটে চলা আমাদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। প্রশ্ন জাগে মনে, আমাদের কি আসলেই এমন হাহাকার করার প্রয়োজন আছে?

পরিসংখ্যান বিভাগের হিসেব অনুযায়ী এ বছর নেত্রকোনা জেলার ১৫ মার্চের জনসংখ্যা ২৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬৩ জন এবং খানার সংখ্যা পাঁচ লাখ ৫০ হাজার ৬২৪টি। হাউসহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে, ২০১৬ অনুযায়ী নেত্রকোনা জেলার দারিদ্র্যের হার ৩৪ শতাংশ; সে হিসেবে দরিদ্র খানার সংখ্যা হয় এক লাখ ৮৭ হাজার ২১২টি। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় জেলা সমাজসেবা ও মহিলাবিষয়ক কার্যালয়ের আওতায় বিভিন্ন ধরনের নিয়মিত ভাতাভোগীর সংখ্যা এক লাখ ৮২ হাজার ২৮০ জন। পরিবারপ্রতি উপকারভোগীর সংখ্যা যদি একজন হয়, তাহলে অবশিষ্ট দরিদ্র পরিবারের সংখ্যা থাকে চার হাজার ৯৩২টি। গত মাচে জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে ৩১৯ মেট্রিক টন। প্রতি পরিবারকে প্রতিবারে ১০ কেজি অর্থাৎ মাসে দুবারে ২০ কেজি হিসেবে এই চাল বিতরণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৫০টি পরিবারের মাঝে। এপ্রিল মাসে ৮৬৩ মেট্রিক টন এবং মে মাসে বিতরণ করা হয়েছে এক হাজার ৩৬৪ মেট্রিক টন। আগের হিসেব অনুযায়ী এই পরিমাণ চাল বিতরণ করা হয়েছে যথাক্রমে ৪৩ হাজার ১৫০টি ও ৬৮ হাজার ২০০টি পরিবারের মধ্যে। এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় খাদ্যবান্ধব এবং পৌরসভা এলাকায় ওএমএস কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হয়। এ বছর মার্চ-মে মেয়াদে সমগ্র জেলায় (পৌরসভা ব্যতীত) প্রতি মাসে এক হাজার ৮২৫ মেট্রিক টনের অধিক চাল বিক্রি করা হয়। অর্থাৎ ৯১ হাজার ২৫০টি পরিবার প্রতি মাসে ১০ টাকা মূল্যের ২০ কেজি করে চাল কিনতে পেরেছেন। এখানে উল্লেখ্য, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্ত মাসিক সুবিধা একটি পরিবারের বা একজন মানুষের জীবনধারণের জন্য পর্যাপ্ত নয়। জিআর ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি মিলিয়ে মার্চ মাসে এক লাখ সাত হাজার ২০০ এবং এপ্রিল ও মে মাসে এক লাখ ৩৪ হাজার ৪০০ পরিবারের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছানো হয়েছে। এছাড়া বরাদ্দকৃত নগদ অর্থ কখনও নগদ হিসেবে বিভিন্ন জনের কাছে, আবার কখনও চালের সঙ্গে অন্যান্য উপকরণসামগ্রী ক্রয় করে বিতরণ করা হয়েছে। পৌরসভা এলাকার জন্য পৃথক বরাদ্দ ছিল। অধিকন্তু বিভিন্ন ব্যক্তি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং এনজিও তাদের নিজস্ব উদ্যোগে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেছে। তাহলে কেন সরকারি সহায়তা প্রাপ্তি বা বিতরণ নিয়ে এত হাহাকার?

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এই সহায়তা পৌঁছাতে গিয়ে দেখা গেল কিছু ব্যক্তি শহরের যেখানেই সরকারি-বেসরকারি সহায়তা বিতরণের সংবাদ পান সেখানেই গিয়ে হাজির হন। সকালে নাশতা করেই তারা বেরিয়ে পড়েন খাদ্য/আর্থিক সহায়তার খোঁজে এবং স্বাস্থ্যবিধির কোনো তোয়াক্কা না করেই উদভ্রান্তের মতো ছুটে বেড়ান। ফলে কেউ কেউ পাঁচবার সহায়তা পেয়েছেন, আবার কেউ কেউ একবার পেয়েছেন। একজন এক জায়গা থেকে সহায়তার ব্যাগ গ্রহণ করে ছেলে বা মেয়ের হাতে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে নিজে আবার ধাবিত হয়েছেন অন্যত্র। কেউ কেউ আবার এই সংগৃহীত খাদ্য সহায়তা বিক্রির ব্যবসা ফেঁদে বসেন। বিভিন্ন শ্রমিক, দিনমজুর তথা পেশাজীবী সংগঠন তাদের শত শত সদস্যের তালিকা নিয়ে হাজির হতে শুরু করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। এই সুবিধা গ্রহণের জন্য এমন অনেক সংগঠন গজিয়ে উঠল, যাদের নাম আগে কখনও শোনা যায়নি। একটি পরিবার বা একজন ব্যক্তি কোন তারিখে বা কী পরিমাণ সহায়তা পেয়েছে, সেই হিসাব না থাকায় এটি প্রতিরোধ করা ছিল খুবই দুরূহ। উল্লেখ্য, সরকারি হটলাইন নম্বর ‘৩৩৩’-এর মাধ্যমে ‘এসওএস’ মেসেজ পেয়ে বিবেচ্য তিন মাসে তিন হাজার ৬০০টির বেশি পরিবারে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আবার এই সহায়তা পৌঁছাতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকারও হতে হয়েছে। কেউ কেউ জনপ্রশাসনের গণমুখিতার পরীক্ষা নিয়েছেন এই সুযোগে।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেত্রকোণা পৌরসভাকে কেস স্টাডি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কারণ এটি নেত্রকোণা জেলার সবচেয়ে জনবহুল পৌরসভা, বিভিন্ন স্থান থেকে কাজের সন্ধানে আসা অনেক পরিবার এখানে ভাড়া থাকে (যারা এই এলাকার ভোটার নন) এবং এখানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরাসরি তত্ত্বাবধান করা সহজ। উল্লেখ্য, যারা এই পৌরসভার ভোটার নন, তারা পৌরসভার বিভিন্ন সরকারি সহায়তা থেকে বাদ পড়তেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কেউ যেন এই সহায়তার আওতাবহির্ভূত না থাকে সেদিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়। প্রতি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সরকারি কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবক, সুধী/রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে অসচ্ছল ও অসহায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের একটি তালিকা প্রণয়ন করা হয়। প্রতিটি পরিবারে একটি কার্ড দেওয়ার জন্য পরিবারপ্রধানের নাম, বয়স, পেশা, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, এনআইডি নম্বর, মোবাইল নম্বর, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা প্রভৃতি তথ্য সংগ্রহ করা হয়। চিহ্নিত প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি করে কার্ড দেওয়া হয়। কার্ড ছাড়া এবং এক ওয়ার্ডের অধিবাসীকে অন্য ওয়ার্ডে কোনো ধরনের ত্রাণ/খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। এছাড়া ব্যক্তি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও উৎসাহিত করা হয় বিতরণকৃত ত্রাণের পরিমাণ ও তারিখ এই কার্ডে লিপিবদ্ধ করতে। ফলে খুব তাড়াতাড়ি ত্রাণপ্রত্যাশী মানুষের আন্তঃওয়ার্ড চলাফেরা বহুলাংশে কমে যায়। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করাও অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের মধ্যে এক ধরনের স্বস্তি দেখা দেয়। একইসঙ্গে নেত্রকোনা পৌরসভার নি¤œ আয়ের মানুষের একটি চমৎকার ডেটাবেইস তৈরি হয়, যা যেকোনো প্রয়োজনে ব্যবহার করা যেতে পারে।

নি¤œ আয়ের পরিবারপ্রতি একটি কার্ড প্রদান-সম্পর্কিত নেত্রকোনা পৌরসভার কেস স্টাডির অনেকগুলো ভালো দিক রয়েছে। এগুলো হলোÑ১. ত্রাণ বিতরণের জন্য সহজেই উপকারভোগী চিহ্নিত করা যাবে, ২. ওভারলেপিং/ডুপ্লিকেশন এড়ানো সহজ হবে, ৩. ত্রাণ/সরকারি সহায়তা বিতরণের কাভারেজ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে, ৪. বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের ভাতাভোগীদের সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে, ৫. ত্রাণ/সরকারি সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে ইকুইটি নিশ্চিতকরা সহজ হবে, ৬. বিভিন্ন ধরনের সরকারি সহায়তা নির্বাচিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে, ৭. তালিকা প্রণয়নে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহার হ্রাস পাবে, ৮. করোনার মতো ছোঁয়াচে রোগের ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চত করা সহজ হবে, ৯. মানুষের অপ্রাপ্তির হাহাকার দূর করা যাবে এবং সর্বোপরি ১০. সরকারি সহায়তা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি ও উপকারভোগীরাও জবাবদিহির আওতায় আসবেন।

প্রশ্ন হলো কীভাবে এই কাজটি সম্পাদন করা যায়? শুধু ত্রাণ সহায়তা প্রদানের জন্য বারকোডযুক্ত নতুন একটি কার্ড করা যেতে পারে। এই কার্ডটি শুধু বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণের জন্য ব্যবহার করা হবে। একটি বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে এর জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে এই কার্ডে। এর আগে বর্ণিত তথ্যের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং পরিবারের কেউ কোনো ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগী কি না, সেই তথ্য যোগ করা যেতে পারে। ফলে উপকারভোগীদের পেশা বা মাসিক আয়ের ওপর ভিত্তি করে কোন শ্রেণির মানুষ যেকোনো ধরনের দুর্যোগে ভালনারেবল এবং করোনার মতো বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে কোন শ্রেণির মানুষের সরকারি সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে, তা শনাক্ত করা সহজ হবে। আবার সক্রিয় মোবাইল নম্বর ও ব্যাংক হিসাব যোগ করার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির একাধিক মোবাইল সিম ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ২০২১ সালে জনশুমারি শুরু করার সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। এই শুমারি থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য কাস্টমাইজ করেও এই কার্ড করা যেতে পারে; অথবা এনআইডি কার্ডকেই এই কাজের উপযোগী রূপ দেওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কোনো ধরনের দুর্যোগে বা বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তালিকা কাস্টমাইজ করে নেওয়া যাবে সহজেই; প্রতিবারেই নতুন তালিকা করার ঝক্কি ও বিতর্ক এড়ানো সম্ভব হবে। সদিচ্ছা ও একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করলে সহজেই এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, যা সরকারি ত্রাণ/সহায়তা ব্যবস্থাপনা অধিকতর ফলপ্রসূ করতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে বলে প্রতীয়মান হয়।

সরকারি কর্মকর্তা

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..